A love story in my life

V
vaiimo189

টিং টং করে হঠাৎ আমার মোবাইলটা বেজে উঠলো। মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি ঈশিতার ফোন। হ্যালো ঈশিতা ভালো আছিস? হ্যাঁ ভালো আছি রিনি। তারপর ঈশিতা বলল কাল ভার্সিটিতে কয়টায় আসবি? আমি বললাম কাল কেন? আরে তুই ভুলে গেছিস, কালনা আমাদের নবীন বরণ। ও আচ্ছা আচ্ছা তাই তো। আমি কাল সকাল বেলায় ভার্সিটিতে আসবো। ঠিক আছে ঈশিতা তাহলে এখন ফোন রাখি। ok রিনি। ঈশিতা হলো আমার কলেজ বান্ধবী। সে অনেক সুন্দর, অনেক লম্বা, তবে বেশ চঞ্চল। ইশিতা পড়াশোনা একটু অমনোযোগী। তবে পরীক্ষায় ভালো পাস করে। পরদিন সকালে আমি ভার্সিটিতে গেলাম। দেখি ঈশিতা নীল শাড়ি পড়ে এসেছে। নীল শাড়িতে তাকে যেন নীল পরীর মত লাগছে।

 

আমি, ঈশিতা ও আমরা নতুন যারা ভর্তি হয়েছি সবাই একসাথে বসলাম। একটু পরেই সিনিয়র আপু ও ভাইয়ারা আমাদেরকে ফুল, চকলেটও কলম দিয়ে বরণ করল। সন্ধ্যা হয়ে গেল আমি ও ঈশিতা ভার্সিটি থেকে বের হয়ে বাসায় চলে আসলাম। দুদিন পর ভার্সিটিতে আসলাম, ক্লাসে ডুকেই আমি 2nd বেঞ্চে বসলাম । পেছন থেকে কে যেন আমাকে রিনি বলে ডাক দিল।মাথা ঘুরিয়ে দেখলাম ঈশিতা আমার পেছনের বেঞ্চে বসলো। আমার কাধের উপর হাত দিয়ে সে বললো কি খবর দোস্ত? আমি বললাম ভালো ঈশিতা,তুই?হ্যা, আমিও অনেক ভালো আছি।

কিছুক্ষণ পর কয়েকজন সিনিয়র ভাইয়া আমাদের ক্লাস রুমে আসলো তারা আমাদের কে বলল যদি তোমাদের কোন সমস্যা হয় তাহলে আমাদেরকে জানাবে যদি কোন বই কিংবা বুকলিস্ট লাগে তাও আমরা তোমাদেরকে দিব। আমার পিছনে ঈশিতা আস্তে আস্তে বলতে লাগল যে অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ। আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম চুপ কর ঈশিতা। ক্লাস শেষ করে বের হওয়ার সময় একটা সুন্দর লম্বা হ্যান্ডসাম সিনিয়র ভাইয়া একটা কাগজ ঈশিতার হাতে ধরিয়ে দিল। এটা দেখে আমি তো অবাক হয়ে গেলাম! ঈশিতা তড়িঘড়ি করে কাগজটা খুলে দেখল, দেখে বলল এইটা কি? বুক লিস্ট!আরে আমি ভাবলাম কি না কি? আমরা দুজনেই ভাইয়াটাকে থ্যাঙ্কস জানালাম। ভাইয়াটার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজন সিনিয়র ভাইয়া আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলতে লাগল এই বইগুলো পড়েই কিন্তু রিপন ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছে।

এতক্ষণে বুঝলাম এই ভাইয়ের নাম রিপন। তারপর রিপন ভাইকে আমরা বললাম ভাই আজকে তাহলে আসি। রিপন ভাই ও বলল ঠিক আছে আসো। রিকশায় বসে আমি বললাম ঈশিতা সিনিয়র ভাইয়েরা অনেক হেল্পফুল তাইনা? ঈশিতা হাতে মোবাইল টিপতে টিপতে অন্যমনষ্ক হয়ে বলল হুম। আমি ঈশিতার হাত ধরে বললাম তুই ব্যস্ত নাকি? ঈশিতা চমকে উঠে আমার দিকে তাকিয়ে বলল আর বলিস না আমার বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে অনেক ঝামেলায় আছি। ভাবতেছি ওকে ক্লোজ করে দিবো। মানে! মানে ব্রেকআপ করে দিব।

Comments