আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। শুরুতে ধন্যবাদ জানাতে চাই যাদের সহযোগীতায় আমি এই পপুলার কন্টেন্ট রাইটিং প্লাটফরম এ জয়েন হতে পেরেছি। বর্তমানে তারা আমাদের যে ভাবে সহযোগীতা করে আসছে আশা করি তারা এই ধারা অব্যাহত রাখবে আগামী দিন গুলোতেও।
আজকে আমি আমার নিজের সম্পর্কে কিছু কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।
ভূল ত্রুতি ক্ষমা সুলভ দৃষ্টি তে দেখার অনুরধ থাকলো।আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করি,
আমি তানভির রায়হান। ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ দিনাজপুর জেলার বিরল থানার ছোটো এক গ্রামে আমার জন্ম হয়।আমার পিতার নাম তছির উদ্দিন মাতার নাম হালিমা খাতুন। আমরা তিন ভাই এক বোন মাতা পিতা নিয়ে আমাদের পরিবার। ভাইদের সবার ছোট আমি আর আমার বোন সবার ছোট। আমি পড়াশুনো করি আমার দুই ভাই পুলিশ কনেস্টেবল পদে চাকুরী করে। আমার বোন ইন্টার ১ম বর্ষ এর ছাত্রী।
এবার আমার শারিরিক গঠন নিয়ে বলি,
আমি উচ্চতায় ৫ ফুত ৬ ইঞ্চি,ওজন ৫৩ কেজি, গায়ের রং হাল্কা ফর্শা। আল্লাহ্র কাছে কৃতজ্ঞ যিনি আমাকে এত সুন্দর ভাবে সৃষ্টি করেছেন।
প্রিয় খাবার:
বাঙালি হিসাবে ভাত,মাছ,মাংস,ডাল কিংবা শাক-সবজি সাভাবিক ভাবেই প্রতিদিনের খাবারের মেনু তে থেকে থাকে। প্রিয় খাবার বলতে পোলায়, বিরিয়ানি, ফলমুল খেতে ভালোবাসি।
প্রিয় কাজ:
আসলে আমি খুবি অলস কাজ করিনা বললেই চলে। সারাদিন মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আর হা বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি করতে এবং ঘুরাঘুরি করতেই বেশি পছন্দ করি।
প্রিয় খেলা:
ক্রিকেট খেলতে এবং দেখতে ভালোবাসি। আমার প্রিয় ক্রিকেট দল বাংলাদেশ। প্রিয় খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান।
ফুটবল যদিও খেলিনা তবে দেখতে ভালোলাগে। আমার প্রিয় দল ব্রাজিল,প্রিয় খেলোয়ার নেইমার ও রোনালদো।
প্রিয় লেখক:
খুব বেশি বই পড়া হয়না তবে হুমায়ুন আহাম্মদ এর উপন্যাস এবং জহির রায়হান এর শেষ বিকেলের মে আমার প্রিয় উপন্যাস গুলোর মধ্যে অন্যতম।
তাছাড়া জুনায়েদ ইভান এর লিখা আমার অনেক ভালো লাগে।
প্রিয় গান:
গান খুব বেশি শুনা হয় না তবে কিছু গান আমার অনেক বেশি ভালো লাগে।গান এর নাম পাশে ব্যান্ড এর নাম সহকারে লিখে দিলাম,
★হাশিমুখ,আবার হাশিমুখ,এই অবেলায় (শিরোনামহীন)
★অবাক ভালোবাসা (Warfaze)
★অনিকেত প্রান্তর,দু:খ বিলাস (Artcell), ইত্যাদি।
প্রিয় মানুষ ;
সময় এর বদলে যাওয়ার সাথে প্রিয় মানুষ গুলো একদিন অপ্রিয় হয়ে যায়। এটা একান্ত আমার মত কেননা প্রিয় মানুষ টা একদিন আপনাকে আমাকে তুচ্ছ্য তাচ্ছিল্য করে একা রেখে চলে যায়। কিন্তু প্রিয় বাবা প্রিয় মা কোনো দিন অপ্রিয় হয় না।
এতখোন আমার বকবকানি মনযোগ দিয়ে পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

