বাংলাদেশ ক্রিকেট ১৯৯৭ সালে পাকিস্তান কে হারিয়ে নতুন এক ক্রিকেট পরা শক্তির আগমন হয় নাম টি তাঁর বাংলাদেশ। এরপর আর আমাদের আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০০ সালে পেয়ে যাই টেস্ট স্টাটাস ভারতের সাথে খেলে ফেললাম প্রথম টেস্ট ম্যাচটা আমরা হেরে জাই বাট নতুন দল হিসেবে মোটেও খারাপ খেলেনি।আমিনুল ইসলাম বুলবুল অভিষেক টেস্টে পেয়ে যান প্রথম ১০০ সাথে নাঈমুরে ৫ উইকেট মোটেও খারাপ নয়।তার পরে সেই পাকিস্তানের সাথে মুলন টেস্ট জিততে জিততে আমরা হেরে জাই, ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আশরাফুলের ১০০ রান বড় করে অজিদের ইংল্যান্ডের মাঠিতে তাদের প্রথম হারাই ওই সময় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বিশ্বে এক আতংকের নাম তাঁর পড়েও আমরা তাদের হারাই ও ভালো কথা মাজে মাজে আমরা জিম্বাবুয়ের সাথে সিরিজ খেলতাম, জিম্বাবুয়ে -বাংলাদেশ মানেই হাড্ডা হাড্ডি লড়াই কেউ কারো থেকে কম না। শেষমেশ জয় আমাদেরি হতো তখনকার সময় বাংলাদেশ এতটা শক্তিশালী ছিলো না তাই বাংলাদেশ সাথে কেউ সিরিজ খেলতে চাইতোনা এক জিম্বাবুয়ে ছাড়া।তাঁর পর খেলতে গেলাম ২০০৭ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ টাইগার রা তখন ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে হঠাৎ বাংলাদেশ থেকে খবর আসলো আমাদের (রানা)আর নেই বাইক র্দুঘটনা মারা গেছেন রানা টাইগার রা তখন খুব আপসেট হয়ে পরলেন তার পরেও তো আর কিছু করার নাই খেলা লাগবে বিশ্বকাপ।রানার শোক বুকে ভয়ে খেললেন ভারতের সাথে ম্যাচ ভারাত অল আউট হয়ে গেলেন ১৯৬ রানে মাশরাফি নিয়েছেন ৪ উইকেট। তারপরে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়েন পালা বাংলাদেশের তিন তরুণ সাকিব,মুসফিক,তামিম তিন জনেন ৫০ রান ম্যাচটা বাংলাদেশ জিতে যায় ভারত তখন টূনামেন্ট থেকে আউট হয়ে যায় তখন বাংলাদেশ কে আবারো নতুন করে চিনলো বিশ্ব,ভারতের পর দক্ষিন আফ্রিকাকেও হারায় বাংলাদেশ ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ কোয়াটার ফাইনাল,২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন ট্রফির সেমি ফাইনাল টানা ৩য় বার এশিয়া কাপের রানারআপ সাথে ইংল্যান্ড -অস্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট জয় আরো অনেক ইতিহাসের সাক্ষি হয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ক্রিকেট একটা আবেগের নাম এদেশের মানুষের কাছে, এরা ক্রিকেটের জন্য সব করতে পারে।
ভালোবাসি বাংলাদেশ, ভালোবাসি বাংলাদেশের ক্রিকেট কে।

