প্রিয় পাঠক বৃন্দ সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। ধরুন আপনার ঘরে চাল আছে এবং রান্না করার মত উপায় না থাকে ত কেমন হবে। এরকমি আমাদের আশেপাশে প্রচুর শ্রমজীবি মানুষ আছে যাদের কে বাদ দিয়ে আমাদের জীবন টাকে সহজভাবে পরিচালনা করা অসম্ভব। সকালে ঘুম থেকে উঠার আগেই সবজিওয়ালা সবজি নিয়ে আমাদের বাসার সামনে হাজির।
ছবির উৎস
মাছের ভ্যান এসে হাজির মাছ নিয়ে। আদা, রসুন, পেয়াজ, মরিচ, মসলা নিয়ে হাজির এন্য একজন। একবার ও চিন্তা করে দেখেছি তারা কোথায় থেকে এত তাড়াতাড়ি এগুলো নিয়ে আসেন । আসলে এগুলোর পেছনে এনেক মানুষের শ্রম রয়েছে। রাএে দুইটার দিকে তারা মাছ ধরার জন্য পানিতে নামে। মাছ গুলো ধরে আড়ৎে পাঠানো হয় সেখান থেকে মাছ ব্যাবসায়ীগন কিনে নিয়ে আসে। সেখান থেকে আমাদের কাছে সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও রিক্সাওয়ালা, অটোওয়ালা। বাদাম ওয়ালা মামা, চটপটি মামা সহ এনেকে আমাদের সমাজে চলার পথে এনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সি এন জি, ট্রাক, বাস সহ যত যাতায়াত করার যত মাধ্যম আছে তারা ও গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেছে।
ছবির উৎস
বিশ্বের যত বড়বড় প্রাচীর ইমারত তৈরি করা হয়েছে তার সবগুলো তে শ্রমিকের গুরুত্ব অপরিসীম। শ্রমজীবিরা তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত করেছে আজকের এ পৃথিবীকে। আমরা এনেকে সমাজের শ্রমজীবিদেরকে চোট চোখে দেখি। এগুলো ঠিক নয়, কারণ দিনশেষে তারা আমাদের আত্নীয় স্বজন। চাচা কারও খালু কারও মামা আবার কারও বাবা। আমার বাবাও একজন শ্রমিক। এতে আমি এনেক গর্ববোধ করি কারণ কোন পেশাকে ছোট চোখে দেখতে নেই। এই ছোট পেশায় আমার বাবা কাজ করে আমাদের লালন পালন করছে। চুরি, বাটপারি, ডাকাতি না করে সৎ উপায়ে কাজ করে খায়লে এনেক ভালো।
ছবির উৎস
প্রতিটি শ্রমজীবিকে শ্রদ্ধা করি সম্মান করি, তারাই মাঠে ঘাটে শ্রম দিয়ে আমাদের জন্য ধান, সবজি, ফুল ফল আমাদের তৈরি করে আমাদের দৈনিক চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে। তবে তাদের স্বপ্নগুলো রয়ে যায় অপূর্ণ। অবহেলায় কাটে তাদের প্রতিটি মুহূর্ত। ফাঁক দিয়ে মধ্যেস্বত্ব ভোগীরা মজা লুটে। তারা কৃষক এর পণ্য গুলো কিনে চড়া দামে আমাদের কাছে বেচে থাকে।
এতে শ্রমজীবিরা তাদের পাপ্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়।


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকেও
ধন্যবাদ আপনার মতামত পোষণ করার জন্য