ঠিকমত পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করলে তার মধ্যে সময়ের প্রতি গুরুত্ব তৈরি হতো। সময়মতো সব কাজ করার মানসিকতা গড়ে মতো। সুতরাং আমজাদের মধ্যে একইসঙ্গে নামাযের প্রতি আন্তরিকতার অভাব এবং সময়ানুবর্তিতার বোধের ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়।
তেমনি অন্যান্য কাজের প্রতিও সাধারণত তার দায়িতবোধ থাকে। নামায মানুষকে নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা দেয়। নিয়ম ও সময় মেনে কাজ করার প্রতি আগ্রহী করে তোলে। অরুন অর রশিদের মধ্যে যার প্রতিফলন দেখা যায়। হারুন অর রশিদ প্রতিদিন ফজরের নামায পড়ে সকালের হ্যাপকের হারুন অর রশিদ নামায শেষে যাবতীয় কাজ সেরে হন। কারণ নিয়মিত নামায আদায় করায় তার মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা ও যাবতীয় কাজ শেষ করেন। এরপরও তিনি যথাসময়ে অফিসে যেতে সক্ষম সময়মতো অফিসে যান। তার মধ্যে নৈতিকতার কর্তব্যের প্রতি দায়িত্বশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া নামায় তাকে সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠায়ও সহযোগিতা করে। পরিশেষে বলা যায়, যারুন অর রশিদের মধ্যে প্রকৃতই নৈতিকতার প্রতিফলন ঘটেছে।
পাশাপাশি এ অংশে দেওয়া প্রশ্নগুলো সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্র্যাকটিস tutop করো। তাহলে এ অধ্যায়ের সকল শিখনফলের ওপর প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।
আল্লাহ তায়ালার প্রতি বান্দার আনুগত্য প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম নামায। এ ইবাদতটি মানুষকে নিয়মনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠতে সহায়তা করে। নিয়মিত নামায আদায়কারী ব্যক্তি নামাযের প্রতি যেমন দায়িত্বশীল থাকে,
তা আমির একজন দিনমজুর। সে ময়লা কাপড়-চোপড় পরিধান করে মসজিদে সালাত আদায় করতে যায়। একদা সাহেদ আলী তাকে বললেন, তোমার উচিত পরিচ্ছন্নভাবে মসজিদে যাওয়া। তিনি আরও বললেন, আল্লাহ অয়লা অতি
সাম্য
আল্লাহর সব আদেশ-নিষেধ মেনে চলার নামই ইবাদত। সিজদায়ে তিলাওয়াত হচ্ছে তিলাওয়াতকালীন সিজদাহ। পবিত্র কুরআনের যেসব সুনির্দিষ্ট আয়াত তিলাওয়াত করলে বা কাউকে পাঠ করতে শুনলে নামাযের ভেতরে কিংবা বাইরে একটি মাত্র সিজদাহ করা ওয়াজিব হয়, সে সিজদাহকে সিজদায়ে তিলাওয়াত বলে। কুরআনে সর্বমোট ১৪টি তিলাওয়াতে সিজদাহ্র স্থান আছে
সালাতের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। আরকান-আহকামসহ বিশেষ নিয়ম ও নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর ইবাদতের নাম সালাত বা নামায়। সালাত আদায়ের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর রহমত লাভ ও সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পার্থিব জীবনে নৈতিকতাও অর্জন করা যায়। যা উল্লিখিত ছকেও বর্ণিত হয়েছে।

