কোনো কাজে লাগবে না ভেবে জিনিস আমরা ফেলে দিই, সেগুলোকেই বলি ফেলনা জিনিস। একটু চিন্তা করে নিজের কল্পনাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে এসব ফেলনা জিনিস দিয়েও আমরা অনেক সুন্দর-সুন্দর শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারি। আমরা খুব একটা খেয়াল করি না, তেমন নজরে পড়ে না এমন সব জিনিস দিয়েও অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস তৈরি করা যায়। সুন্দর কিছু তৈরি করার প্রবল ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি এ দুটিকে কাজে লাগালেই আমরা গাছের শুকানো ডালপালা, পাটকাঠি, কাঠের টুকরা ইত্যাদি ফেলনা জিনিসকে রূপে-রসে ভরে দিয়ে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় শিল্পকর্মে রূপায়িত করতে পারি। এমনি দু-একটি শিল্পকর্মের কথা জেনে নিই।
অন্য কোনো গাছের ডাল নিলেও চলবে, তবে তাতে কাঁটা থাকতে হবে। সাদা কিংবা হালকা হলুদ রঙের ঘুড়ির কাগজ নিয়ে ২.৫০ সিমি. চওড়া লম্বা ফালি করি। কাগজের ফালি তিন চার ভাঁজ করে ২.৫৪ সেমি. চওড়া ও ১৫ সেমি. লম্বা করি। এবার কাঁচি দিয়ে
পাটকাঠির মাথার সরু অংশ বেছে কয়েক টুকরো পাটকাঠি নিই। ধারালো ছুরি বা পুরনো ব্লেড দিয়ে এক টুকরো পাটকাঠির এক মাথা সমান করে কাটি। এবার চিরুনির মতো কাটা কাগজের ফালির জোড়ানো পাশে ময়দার আঠা লাগিয়ে পাটকাঠি সমান করে কাটা মাথার ৩৫ সেমি. পরিমাণ জায়গায় কাগজের জোড়ানো অংশের মাথা বসিয়ে পেঁচিয়ে যাই। এক প্যাঁচের ওপর অন্য প্যাচ পড়বে। এভাবে পাঁচ-ছয় প্যাচ দওয়ার পর কাগজের ফালি ছিড়ে আলাদা করে নিই। এবার পাটকাঠির টুকরোয় প্যাচানো কাটা কাগজের সরু মাথাগুলো চারদিকে সমান করে ছড়িয়ে দিই। কী সুন্দর ফুল হয়ে গেল।এভাবে একই পাটকাঠির মাথায় বার বার পাটকাঠি শেষ হয়ে গেলে আরেক টুকরো নেব।প্রয়োজনীয় পরিমাণে ফুল তৈরি হয়ে গেলে শুকনো ডালের কাঁটার চেয়ে ফুলের নিচেরশুকনো ডালে ফেলনা কাগজের ফুল।পাটকাঠির টুকরো অনেক নরম, তাই গাঁথতে কষ্ট হবে না। সমস্ত ডালটি কুলে ফুলে ভরে দিই। কত সুন্দর লাগছে। ছোট একটা ফুলের টবে মাটির মধ্যে ফুলের ডালটি পুঁতে একটা মানানসই জায়গায় রাখি। দূর থেকে দেখি সবাই যখন আসল ফুল বলে ভুল করবে তখন আমাদের

