সালাত কায়েম

S
sohel5454

 

 যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে এবং সালাত কায়েম করে। এবং প্রদত্ত জীবিকা হতে ব্যয় করে। অপরদিকে রসুল (স) বলেন, কুফর ও ইমানের মাঝে পার্থক্য হলো-নামাজ সুতরাং একথা বলা যায়, মুমিনের অন্যতম প্রধান গুণ হলো নামাজ আমি কিতাব প্রদান করেছি, তারা তাঁকে (রসুলকে) তেমনিভাবে চিনে, যেভাবে তা নিজেদের সন্তানদেরকে চিনে। আর নিশ্চয় তাদের একদল জেনেশুনে সত্যকে গোপন করেছে। কুরআনে এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, মুহাম্মদ (স) তোমাদের কোনো পুরুষ লোকের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রসুল ও শেষ নবি (সূরা আল আহযাব: ৪০)। পরিশেষে বলা যায়, শ্যারন ধর্মগ্রন্থ তাওরাত ইনজিল পড়ে শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ (স)-কে চিনতে পারেনি। অথচ পূর্ববর্তী সকল | আসমানি কিভাবে সুনির্দিষ্টভাবে রসুল (স) শেষনবি কথাটি রয়েছে।

শাহিন তার বিদেশি ইহুদি ব্যবসায়িক পার্টনার ফিলিপের সাথে আলাপ করছিল। এক পর্যায়ে শাহিন ইসলামের দাওয়াত দানের বলল, বন্ধু তুমি মুসলমান হয়ে যাও। নতুবা আখিরাতে নিস্তার পারে না। ফিলিপ বলল, শাহিন বলল, তোমাদের নবিরাই তো মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স)-কে বিশ্বাস করতে ও তাঁর কথা মান্য করতে বলেছেন। তারপর সে তেলাওয়াত করল-

JTG-এর মর্মার্থ লেখ। রসুল (স)-কে চেনার ব্যাপারে শ্যারনের দৃষ্টিভঙ্গি কতটুকু সঠিক? ব্যাখ্যা দাও। ঘ. শেষ নবি সম্পর্কে মাসুদের বক্তব্যের যথার্থতা কুরআনের 

যে আয়াতাংশে ইহুদিদের ভ্রান্ত ধারণার মূলোৎপাটন করা হয়েছে। আয়াতটির অর্থ হলো, হে রসুল কাবাঘর কিয়ামত পর্যন্ত মুসলমানদের কিবলা থাকবে। অথচ ইহুদিরা বলে, মুসলমানদের কিবলার কোনো স্থিতি বর্ণিত আয়াত দুটির বঙ্গানুবাদ করো। নেই। ইতঃপূর্বে তাদের কিবলা ছিল কাবা, পরিবর্তিত হয়ে বাইডুল মুকাদ্দাস হলো, তাও পরিবর্তন হয়ে পুনরায় কাবাই কিবলা হলো। আবার হয়তো বাইতুল মুকাদ্দাসে কিবলা নিয়ে যাবে। ইহুদিদের এসব ভিত্তিহীন বক্তব্যকে এ আয়াত দ্বারা খণ্ডন করা হয়েছে।

শাহিনের দাবির সাথে তার পাঠকৃত আয়াতের মিল রয়েছে শাহিনের দাবির বিষয়ে তোমার অভিমত তোমার মতের পক্ষে মৃত্যুকালে তাঁর সন্তানদেরকে মিল্লাতে ইবরাহিমের ব্যাপারে অসিয়ত করে যান। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, আর যখন তাঁর প্রতিপালক তাকে বলেছিলেন, “আধাসমর্পাস ফলো করলাম জগৎসমূহের সমূহের পুত্রগণকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, হে আমার পুত্রগণ! 

রসুল (স)-কে চেনার ব্যাপারে শ্যারনের দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক নয়। আহলে কিতাবরা যদিও রসুল (স)-কে অস্বীকার করেছে। কিন্তু তারা নবিজিকে চিনতে ও জানতে পেরেছে ঠিকভাবেই তারা তাকে তেমনিভাবে চিনেছে, যেমন তারা নিজেদের সন্তানদেরকে চিনে। অথচ তারা জেনে বুঝে সত্যকে গোপন করে প্রদত্ত শ্যারন ভাওরাত, ইনজিল পড়ে শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ (স)-কে চিনতে পারেনি, রসুল (স)-কে চেনার ব্যাপারে তার দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক ছিল না। কেননা, পূর্ববর্তী সকল আসমানি কিতাবে (স) বলেছেন, আমি শেষ নবি, আমার পরে কোনো নবি নেই। মহানবি (স)-কে সর্বশেষ নবি হিসেবে বিশ্বাস করা ইমানের অঙ্গ তথা ফরল। সুতরাং বলা যায়, শ্যারনের দৃষ্টিভঙ্গি

Comments