আসসালামু আলাইকুম সকলে কেমন আছেন সর্ব প্রথমে আমি সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই আশা করি ভাল আছেন আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর মেহেরবানীতে আমিও খুব ভালো আছি বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম
আমি আজকে আলোচনা করব আমাদের ক্লাসে নামাজ শিক্ষা নিয়ে একটি বিষয়
ক্লাসে শিক্ষক জনাব আবদুল হাই নাতি শিক্ষার্থীদেরকে নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলা আমাদের ওপর নামাজ ফরজ করেছেন। নিজে পড়ার সাথে সাথে নিজের পরিবার পরিজন, পাড়া প্রতিবেশীদেরকেও নামাজের আদেশ করতে হবে। নামাজ প্রতিষ্ঠা মুমিনদের অন্যতম গুণ। এ নামাজ মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। তাই আমাদের উচিত নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া তাহলে সমাজ থেকে অন্যায়, অশ্লীলতা ও অবিচার বিদূরিত হয়ে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে। ক. নামাজ কায়েম করা
ইসলামের মর্মবাণী হলো, আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কোনো ইলাহ নেই আর হজরত মুহাম্মদ (স) আল্লাহর বান্দা ও রসুন। তাই ইসলামে এ কালিমার বাণী মেনে চলা আবশ্যক। আয়াতে দেখা যায়, ইবরাহিম (আ) ও ইয়াকুব (আ) তাদের সন্তানদের ইসলামে প্রবেশ করার কথা উপদেশ দিচ্ছেন। অর্থাৎ, ইসলামের কালিমাকে তারা নিজেরাও স্বীকার করেছেন এবং তাদের উম্মতদেরও স্বীকারের উপদেশ দিচ্ছেন। অন্যদিকে, এ আয়াতে মহান আল্লাহ মানুষকে মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করতেও নিষেধ করেছেন। শাহিন তার বক্তব্যে দাবি করেছেন, সকল নবি-রসুল হজরত নামাজের বুকনসমূহ লেখ। মুহাম্মদ (স)-কে নবি বলে মেনে নিয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন আবদুল হাই নদভির উক্তি নামাজ প্রতিষ্ঠা করা মুমিনের অন্যতম যে, মুসলমান হওয়া ব্যতীত কারো নিস্তার নেই। তিনি তার দাবির পক্ষে কুরআনের আয়াত তেলাওয়াত করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন তোমরা নামায কায়েম করো
অন্যায় ও অশ্লীলতা দূর করার লক্ষ্যে আবদুল হাই নদতির বক্তব্যের যৌক্তিকতা বর্ণনা করো নামাজের আরকান
সালাত আদায়ের ভিতরে যে ফরজ কাজগুলো রয়েছে সেগুলোকে করো, সে আরকান বলে। আরকান শব্দটি রোকন-এর বহুবচন। এর কোনো একটি অনাদায়ে নামাজ ভঙ্গ হয়ে যাবে। নামাজের ৬টি আরকান হলো- ১. তাকবির তাহরিমা বলা তথা আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করা, ২. কিয়াম বা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা, ৩. কিরাত পাঠ করা, ৪. রুকু করা, ৫. সাজদা করা, ৬. শেষ বৈঠক করা।

