সাদিয়া শীতের ছুটিতে এমন একটি এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিল যেখানে তাম্র যুগের গর্ত-বসতির চিহ্ন আবিষ্কৃত হয়েছে। ভারত উপমহাদেশের দ্বিতীয় নগর সভ্যতার নিদর্শন এখানে রয়েছে। নগরটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো সভ্যতাটি কি অন্যান্য দ্বিতীয় নগরসভ্যতার মতোসমৃদ্ধ ভারত উপমহাদেশের প্রথম নগর সভ্যতার নাম হলো সিন্ধু সভ্যতা। গ্রিসে নগরকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল বলে গ্রিসের রাষ্ট্রগুলোকে নগররাষ্ট্র বলা হয়।সাদিয়ার দেখা এলাকা বা সম্প্রটি কোথায় নগরটির পরিচয় ব্যাখ্যা কর। শুরুক্ত নগরটির অনুরূপ বাংলাদেশে যে নগর রয়েছে, সেটিপ্রাচীন গ্রিসে আধুনিক রাষ্ট্রের মতো বড় রাষ্ট্র ছিল না। তখন নগরকে কেন্দ্র করে ছোট ছোট রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল। এসব রাষ্ট্রকে নগর রাষ্ট্র বলা হতো চট্টগ্রাম মৌর্যদের শাসনাধীন ছিল।নগর সভ্যতাটি উয়ারী-বটেম্বর নগরসভ্যতাকে নির্দেশ করেছে।ষষ্ঠশতকের প্রথমার্ধে গুপ্ত শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটে। বিশাল মুক্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর সার ভারতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজবংশের উদ্ভব হয়। এভাবে গুপ্তদের পর সমগ্র উত্তর ভারতে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা নেয়। সে সুযোগে বাংলাদেশে বলা ও গৌড় নামে দুটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়।
প্রাচীন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী-বটেশ্বর উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার দুইটি গ্রামের | গ্রামের আড়াই হাজার বছর আগে নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। উয়ারী বটেশ্বরে আবিষ্কৃত হয়েছে বাংলাদেশের প্রাচীনতম চিত্র শিল্প। আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তুও আবিষ্কৃত হয়েছে। মৃৎপাত্র, পাথর ও কাঁচের পুতিতে এ চিত্রশিল্প উঠেছে, যা উন্নত শিল্পবোধ ও দর্শনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এছাড়া উয়ারী-বটেশ্বরে অমুল্য
সানিয়ার দেখা এলাকা বা নগরটি উয়ারী-বটেশ্বরে অবস্থিত। সাদিয়ার দেখা এলাকা বা নগরটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো। উপমহাদেশের দ্বিতীয় নগর সভ্যতার নিদর্শন এখানে রয়েছে, যা এখানে তাম্র যুগের গত-বসতির চিহ্ন আবিষ্কৃত হয়েছে। এছাড়া ভারত স্থানউয়ারী-বটেশ্বরকে নির্দেশ করে। উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলার উপজেলার দুই গ্রামের বর্তমান

