হ্যালো বন্ধুরা
প্রতিদিনের মত আজও হাজির হলাম নতুন একটা পোস্ট নিয়ে আজকে আমি এখন জৈব সার তৈরি ও তার ব্যবহার সম্পর্কে জানব। জৈব সার ব্যবহারেম্পোস্ট তৈরি করা আমরা কমবেশি সবাই ফসল চাষ করি সেই প্রশ্নের জন্য আমাদের জৈব সার খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস বাজার থেকে কিনে আনতে গেলে অনেক টাকা লাগে কিন্তু এই জৈব সার নিজেরা যদি বানাতে পারি তাহলে তো খুবই ভালো হয় তাই জৈব সার কিভাবে বানানো যায় এ সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করে
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়।মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়। মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মাটি থেকেপুষ্টির অপচয় কম হয়। মাটির উর্বরতা বাড়ে। মাটির সংযুক্তির উন্নতি হয়। ফসলের উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়। মাটির পরিবেশ উন্নত হয়।
কম্পোস্ট তৈরি : গবাদিপশুর মলমূত্র, খাবারের উচ্ছিষ্ট, খড়কুটা, বিভিন্ন প্রকার কৃষিবর্জ্য, আগাছা, কচুরিপানা প্রভৃতি খামার প্রাঙ্গণে স্তরে স্তরে সাজিয়ে অণুজীবের সাহায্যে পচিয়ে যে সার তৈরি করা হয়, তাকে কম্পোস্ট সার বলা হয়। কাজেই অনেকগুলো জিনিস একত্রে পচিয়ে বা কখনো কখনো একটিমাত্র উপাদান দ্বারাও কম্পোস্ট তৈরি করা যায়। দুটি পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরি করা যায়। যথা— স্তূপ পদ্ধতি ও পরিখা পদ্ধতি।এখন আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কম্পোস্ট সার তৈরি কিভাবে করে এবং এর ব্যবহার কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করুন সার তৈরির নিয়মাবলি
প্রথমে একটি উঁচু স্থান নির্বাচন করতে হবে নির্বাচিত স্থানে ৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২ মিটার প্রশ্ন ও ১.২ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট পরিখা খনন করতে হবে এভাবে ৬টি পরিখা পাশাপাশি খনন করতে হবে পরিখার উপর চালার ব্যবস্থা করতে হবে পাঁচটি পরিখা আবর্জনা, খড়কুটা, লতাপাতা, গোবর দিয়ে চিত্র-৩.২ পরিখা পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরি পর্যায়ক্রমে সস্তূপাকারে সাজাতে হবে এবং একটি পরিখা খালি থাকবে প্রতিটি পরিখার আবর্জনার স্তূপ ভূপৃষ্ঠ হতে ৩০ সেমি উঁচু হবে চার সপ্তাহ পর নিকটবর্তী পরিবার কম্পোস্ট খালি পরিখায় স্থানান্তর করতে হবে এভাবে কম্পোস্টের উপাদানগুলো ওলট পালট করতে হবে। ফলে উপাদানগুলোর পচনক্রিয়াও ত্বরান্বিত হবে। তারপরে এইভাবে কিছু দিন রাখার পর পছে জব সার তৈরি হয়


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ