উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণার পর ঢাকায়ছাত্রসমাস প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। এ আন্দোলন দমাতে ১৪৪ ধারাজারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ" ১৪৪ ধারা ভাগ করার লক্ষ্যে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টন তৈরি করে। পরের দিন ছাত্ররা ছোট ছোট দলে মিছিল করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে। ভাষা আন্দোলনের ঘটনার দিক 'অমর একুশে' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।
'অমর একুশে' প্রবন্ধে মহান ভাষা আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৫২ সালে খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুকে পাকিস্তানের অসীম সাহসী ভাষা শহিদদের চিরকাল মনে রাখার ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা মিছিলে বের হলে পুলিশ গুলি চালিয়ে বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেককে হত্যা করে। এভাবে অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে বাংলা
রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে।
নুরুল আমিন সরকার নারায়ণগঞ্জে একজন পুলিশকে হত্যা করে। ভাষা শহিদদের স্মরণে শহিদ মিনার নির্মিত হয়েছিল।
ভাষার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বের হওয়া নিি
নির্মিত হয়েছিল। অমর একুশে' প্রবন্ধে বর্ণিত বাংলা ভাষার জন্যে হবে।
বাঙালির সংগ্রামের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠ কেশল উর্দুকেই রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিল। এর প্রতিবাদে ফেটে পড়ে বীর বাঙালি। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধার উপেক্ষা করে মিছিল বের করে। পুলিশ মিছিলে গুলি চালালে শহিদ হন, জব্বার ও আবুল বলেত। এর ফলে আন্দোলন আরও ব্যাপনা আকার লাভ করে। পরবর্তী সময়ে পুলিশের গুলিতে আরও অনেকে শহিল হন। তাঁদের প্রাণের বিনিময়েই অর্জিত হয় বাংলা ভাষার অধিকার
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঘটনা রয়েছে। মাহিরের দাদু একজন ভাষাসৈনিক। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিছিলে তিনিও যোগ দিয়েছিলেন। পুলিশের গুলিতে তার চোখের সামনেই নির্ভীকচিতে প্রাণ দিয়েছে অনেকে। ভাষাশহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে ভাষার অধিকার। আলোচ্য প্রবন্ধেও ভাষা আন্দোলনের
ঘটনা বিধৃত হয়েছে। অমর একুশে প্রবন্ধের সবগুলো ঘটনা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি
অমর একুশে' প্রবন্ধটি মহান ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে । ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেয়। এর প্রতিবাদে আন্দোলন করে বাংলার ভাষার দাবি আদায় করতে এগিয়ে যান। তার চোখের সামনে পুলিশের ছাত্র-জনতা। পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শহিদ হন অনেকে। অনেক গুলিতে প্রাণ হারায় অনেকে। শেষ পর্যন্ত ভাষাশহিদনের আছত্যাগের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষার মর্য লাভ করে।
মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় ভাষার মর্যাদা।
‘অমর একুশে' প্রবন্ধে দেখা যায় ভাষার দাবিতে ছাত্রসমাজ প্রতিবাদে গঠিত হয় 'সবদলায় ফেটে পড়ে এবং ধর্মঘট পালন করে। গঠিত হয় 'সর্বদলীয় কর্মপরিষদ'। 'বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ' ১৪৪ ধারা হা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছাত্র-জনতা ১৪৪ ধারা ভাগ করে মিছিল বের করলে পুলিশ গুলি চালিয়ে অনেককে হত্যা কর ভাষা আন্দোলনে ছাত্র-জনতার অকাতরে প্রাণ বিসর্জন এবং রাষ্ট্রভাষা হিসেবে

