বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
আমি আজকে আলোচনা করব বিজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে আপনারা এই পোস্টটি সম্পুর্ণ পড়লে বুঝতে পারবেন না আর এই পোস্টটি সম্পূর্ণ বুঝতে চান তাহলে এর আগে আর একটি পোস্ট করেছি সেটা আগে পড়তে হবে তারপর এই পোস্টটি বুঝতে পারবেন
সে শিক্ষা অসম্পূর্ণ। ধনী বা উচ্চবিত্তছেলেমেয়েরা টাকার জোরে অনেক কিছুই করতে পারে, এমনকি দেশ-বিদেশে গিয়ে সস্তায় ডিগ্রি সংগ্রহ করাও কঠিন কিছু নয়।বিজ্ঞান শিক্ষার নানা স্তর ও উপকারিতা : বিজ্ঞান শিক্ষার রয়েছে নানা স্তর। উচ্চতর, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক। বিজ্ঞান সম্পর্কে অন্তত প্রাথমি
জ্ঞান অর্জন না করলে এ যুগে শিক্ষাই অসম্পূর্ণ থাকে। ব্যক্তিগত জীবনে যেমন সমাজজীবনেও তেমনি মানুষ তার যথার্থ ভূমিকা পালনে অক্ষমহ হয়। স্বাস্থ্যরক্ষার সাধারণ বিধিনিয়মগুলো যে জানে না, খাদ্যের গুণাগুণ বা রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা সম্পর্কে যার কোনো ধারণা বিজ্ঞান সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান থাকলে নানাদিক দিয়ে সুবিধা। কেউ রোগের যন্ত্রণায় বা সাময়িকস্নায়ু বৈকল্যের ফলে ভুল বকলে এরা ডাকতে হয় না, অষ্টগ্রহ সম্মেলন বা ভাইল্যাব বা পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণকে উপলক্ষ করে ঘরবাড়ি
পালাতে হয় না, শুধু তাবিজ বা মাদুলিকে সম্বল করে নিজেকে দৈবের হাতে সঁপে দিতে হয় না। এছাড়া বিজ্ঞান সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা যারআছে, অর্থাৎ যারা মাধ্যমিক পর্যায়ের বিজ্ঞান শিক্ষায় নিজেদের শিক্ষিত করেছেন তারা তো এক হিসেবে ভাগাবান। জগৎ-সংসারের
স্বরূপ উপলব্ধির ব্যাপারে অনেকখানি জানেন। বিজ্ঞান শিক্ষা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। যারা যোগ্য এবং যথাই
এই শিক্ষা লাভের সুযোগ পান। উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষা মানুষকে নব নব আবিষ্কারে উদ্বুদ্ধ করে দেশ ও জাতি গঠনে বিরাট ভূমিকা রাখে।
শিক্ষার প্রভাব ও সুফল : বিজ্ঞান শিক্ষা মানুষকেযুক্তিনিষ্ঠ ও বিচারশীপ করে। অন্য আবেগ, ভুল বিশ্বাস ও সর্বনাশা দুর্ছতার করণ
বাঁচায়। বিজ্ঞান শিক্ষার গ্রুপে মানুষের বুদ্ধির বিকাশ ঘটে, চিন্তা-ভাবনা ও বোধশক্তির উন্নতি হয় এবং সবচেয়ে বড় কথা, সভ্যোম্পনির পথে সে অনেক দূর এগিয়ে যায়। বিজ্ঞান শিক্ষা কুসংস্কারের বড় শত্রু। নজর লেগে ছেলে রোগা হয় বা গাছ মরে যায়, সামান্য পরিমাণের যারা বিজ্ঞান
শিক্ষা অর্জন করেছেন, নিশ্চয় তারা এসব কুসংস্কারে কান দেন না, বিশ্বাস করেন না। এছাড়া দেহের কোন একটি স্থানে টিকটিকি পল
অর্থাগম, হাঁচি-কাশির সাথে উন্নতি অবনতির সম্পর্ক, স্বপ্নযোগে প্রাপ্ত বিশেষ কোন দৈবীর দৈব ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়ে বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিকাদের কাছে এর কোনো গুরুত্ব নেই। ধর্মের নামে গোঁড়ামিকে যারা প্রশ্রয় দেয়, প্রকৃত বিজ্ঞান শিক্ষা তাদেরও চৈতন্য আগরণে সাহায্য করে।

