আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছে আবার রেগুলার এর মত আজকে আমি আরেকটা পোস্ট এ নিয়মিত আপনাদের সামনে হাজির হলাম
দীর্ঘমেয়াদিভাবে আত্মকর্মসংস্থান জলা নিশ্চিত ও ব্যাপক। বা সম্পদ,
অর্জনের ব্যবস্থাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। দীপকে শান্তা আক্তার রাস্তায় এক মহিলাকে পিঠা তৈরি করে বিকি করতে দেখে উৎসাহিত হন। তিনি নেন তিনিও বিভিন্ন করনের পিঠা তৈরি করে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করবেন। নানান জনে নানান কথা বললেও তিনি লোকের কথায় পাতা দেননি। তিনি ভিন্ন খাবারের দোকানে পিঠা সরবরাহ করে উপার্জন বৃদ্ধি করেন। এবং ধীরে ধীরে তার পিঠার চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তিনি জীর্ঘমেয়াদে কাজটি করেছেন বলেই তিনি সাফল্য লাভ করেছেন। সুতরাং বলা যায়, খ সময়ে নয়, দীর্ঘমেয়াদিভাবে আত্মকর্মসংস্থানের সাফল্য নিশ্চিত ও ব্যাপক।
আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল জাহাজে চাকরির মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ছোট চাকরি, খাটুনি অনেক। কিন্তু বেতন অনেক কম। সংলার চলছিল না। বাধ্য হয়েই তিনি চাকরি ছেড়ে গ্রামে আসেন। জীবনধারণের তাগিদে পতিত জমিতে করণা চাষ শুরু করেন। সবজি আবাদ করে তিনি এখন স্বাবলম্বী। চাকরির বিকল্প হিসেবে কোনটি অত্যন্ত
শহরমুখী জনস্রোত নিয়ন্ত্রণ ও গ্রামীণ অর্থনীতির মধ্যে ভারসাম্য ব্যাখ্যা কর। পনে আত্মকর্মসংস্থানের
থাকা দরকার বলে তুমি মনে কর? ম. বাংলাদেশে মতো শিক্ষিত বেকারদের বেকারত্ব লাঘবে আত্মকর্মসংস্থানের অবদান বিশ্লেষণ কর।
বিকল্প হিসেবে আত্মকর্মসংস্থান অত্যন্ত জনপ্রিয়।
10 শহরমুখী জনস্রোত নিয়ন্ত্রণ ও গ্রামীণ অর্থনীতির মধ্যে ভাৰসাম্য স্থাপনের ক্ষেত্রে আত্মকর্মসংস্থানের ভূমিকা অত্যধিক।
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ লোক গ্রামে বাস করলেও তাদেনা কর্মসংস্থানের তেমন কোনো সুযোগ নেই। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তারা শহরমুখী হচ্ছে। যার ফলে শহরে জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে। এ শহরমুখী জনগণকে উৎসাহ, উদ্দীপনা, সাহায্য-সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানমূলক গোর নিয়োজিত করতে পারলে শহরমুখী জনস্রোত যেমন নিয়ন্ত্রণ হবে তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতির মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। তাই যায়, শহরমুখী জনস্রোত নিয়ন্ত্রণ ও গ্রামীণ অর্থনীতির ভারসাম্য স্থাপনের ক্ষেত্রে আত্মকর্মসংস্থানের ভূমিকা অত্যধিক।
একজন আত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তিকে সফল হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম, বিচক্ষণতা, চারিত্রিক দৃঢ়তাসহ বেশকিছু গুণে গুণান্বিত হয়ে হয়।

