আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলেই ভাল আছেন আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ্র পাকের মেহেরবানী তে আমিও খুব ভালো আছি আমি আজকে কথা বলব একটি যুবতী মেয়ের আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে আমি আমি এই আগের পোস্টে সেই মেয়েটির আত্মহত্যার কারণ নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম হয়তো সম্পূর্ণ শেষ করতে পারি নাই তাই আর একটি পোষ্ট আপনাদের সাথে নিয়ে আসছি সম্পূর্ণ কথা বলার জন্য যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে সকলেই ক্ষমা করে দিবেন
কিন্তু মেয়ে তো আর ওই ছেলেকে ছাড়া কিছুই বুঝেনা এভাবে কিছুদিন পর আবার আনুমানিক সেদিন নয়টা বাজে সকাল নয়টা সেই ছেলেটির সাথে কথা বলা শুরু করে দিল এবার তার মা দেখে বলল এবার তোর বাবাকে এই বিষয়টি জানাতে হবে কারণ আমি তোকে অনেক সাবধান করেছি কিন্তু তুই আমার কথা শুনিস নি তারপর তার বাবা দশটার দিকে বাড়িতে আসছে খাবার খাওয়া জন্য তার মা বিষয়টা তার বাবাকে জানাই তার বাবার এগিয়ে সে মেয়েটিকে অনেক ধরনের কথা বলেছে
এমনকি আমি শুনেছি একটা চড় মেরেছে সেই মেয়েকে সেই মেয়ে এইচডি সেদিন সকালে ভাত তো খাই নি তার মা অনেক জোরাজুরি করেছে বাতের জন্য কিন্তু সেই মেয়েটি ভাত খাইনি তারপর আনুমানিক বারোটার দিকে তার মা একটু পাশের বাসায় গিয়েছিল তখন বাড়িতে কেউ ছিল না তার বাবাও চলে গিয়েছিল কাজে বাড়িতে সেই মেয়েটি একা আর কেউ নেই সেই চিন্তা করল সে আত্মহত্যা করবে এরপরে সে যে স্কুলে যেত সেই স্কুলের তার এক বন্ধুর কাছে এসে ফোন দেই সেই মেয়েটির নাম হলো ফারজানা তাকে ফোন দিয়ে বলে ফারজানা তুই ভালো থাকিস আর সেই যে ছেলেকে ভালবাসে তাকে ভালো থাকতে বলেছিল তারপর সে ফোন কেটে দিলো তারপরে সে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে দরজা জানালা সব বন্ধ করে ঘরের ভিতরে একটি কেরোসিনের বোতল ছিলতারপর সে ফোন কেটে দিলো তারপরে সে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে দরজা জানালা সব বন্ধ করে ঘরের ভিতরে একটি কেরোসিনের বোতল ছিল
আজ এই পর্যন্তই বাকি যে কথাগুলো আছে আমি চেষ্টা করব আগামী পর্বে বলার জন্য সে পর্যন্ত আপনারা সুস্থ থাকেন ভালো থাকেন

