প্রতিবন্ধী মিনু (পূর্ব ২)

S
sohel5454

আসসালামু আলাইকুম সকলে কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর মেহেরবানীতে আমিও খুব ভালো আছি বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম আমি আজকে আলোচনা করব

আমাদের এলাকার প্রতিবন্ধী মিনু তাকে নিয়ে আমি আর একটা পোস্ট করেছি আজকে আবারো আরেকটি পোস্ট করলাম প্রতিবন্ধী মিনু কে নিয়ে

প্রতিবন্ধী শিশু। তার সারাদিন কাটে বুকে কষ্ট চেপে অপরের বাড়িতে দিন' গল্পের মিনুকে সাদৃশ্যপূর্ণ করেছে। ঝি-চাকরের কাজ করে। সমাজে প্রতিবন্ধী শিশুদেরও ভালোভাবে বাঁচার অধিকার রয়েছে। তাদের শিক্ষা দিয়ে সমাজে কর্মসংস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করে তাদের জীবনকে

এভাবে সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় লেখা ও মিনুর মতো অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশুদের সমাজে প্রতিষ্ঠা করা যাবে। আরিফার মা বেঁচে নেই। বাবাও মারা গেছে অনেক আগেই। জারিয়া থাকে তার এক চাচার বাসায়। কিন্তু চাচির অযত্ন ও অবহেলা অসহায় অবহেলিত আর দাবী জীবনে কষ্টের দিন কাটাচ্ছে। এদিক

তার সহ্য হয় না। মন বারবার ছুটে যায় মায়ের কাছে। মায়ের জন্য

মনটা ওর কেঁদে উঠে। মায়ের কথা ভাবতে ভাৰতে ও অসুস্থ হয়ে পড়ে

 অসুস্থ অবস্থায় মাকে কাছে না পেয়ে সে শেষ পর্যন্ত মারা যায় বেদনাদায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠেছে জারিয়া ও মিনু, কিন্তু জারিফা মৃত্যুরমুখে পতিত হয়, আর মিনু স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকে। 'মিনু' গল্পের মিন্টুর জীবন বড় বেদনার। ছোট মেয়ে মিনু বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। তার বাবা-মা নেই, বেড়ে ওঠা দূর সম্পর্কের পিসিমার

মিনু কখন ঘুম থেকে উঠে মিনুর দৃষ্টিতে গদাই আর শানুর পরিচয় দাও। জারিফা ও 'মিনু' গল্পের মিনুর মধ্যে সাদৃশ্য

 আরিফ ও মিনুর বেড়ে ওঠার পরিবেশ বেদনাদায়ক হলেও উভয়ের পরিণতি এক নয়

 মিনু ভোর চারটার সময় ঘুম থেকে ওঠ

কয়লা ভাঙার হাতুড়ি গদাই আর কয়লা রাখার পাথরটি কয়লাগুলোকে মিন্টু তার শত্রু মনে করে। আর কয়না ভাঙতে প্রয়োজ উপকরণগুলোকে সে তার বন্ধু মনে করে। তাই কয়না ভাঙার হাতুড়িকে সে ভালোবেসে নাম দিয়েছে গদাই। আর যে পাথরের ওপর রেখে সে কয়লা ভাঙে তার নাম দিয়েছে শানু। কেননা সেটি শানের মতো দেখতে। পরিণতি এক নয়। আজ এ পর্যন্তই সকলে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবাইকে জানাই আসসালামু আলাইকুম

Comments