সমাজ ও কৃষক

S
sohel5454

আসসালামু আলাইকুম সকলে কেমন আছেন আশাকরি সকলে ভালো আছেন আপনাদের দোয়ায় এখন আল্লাহপাকের মেহেরবানীতে আমিও খুব ভালো আছি আমি আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব কৃষক

তোমরা নিশ্চয়ই দেখে থাকবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃষক মাঠের কাজ করে ফসল ফলান। মাঠ থেকে ফসল সংগ্রহ করে বাড়ি আনেন। কৃষাণি বাড়িতে আনা ফসল যত্ন করে সংরক্ষণ করেন। গ্রামের মহিলারা বাড়ি বাড়ি হাঁস-মুরগি পালন করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষেরা গবাদিপশুর খামার, হাঁস-মুরগির খামার করে কৃষি উৎপাদন করে থাকেন। মাটির জিনিসপত্র তৈরি করেন কুমার। লোহার জিনিসপত্র যেমন- দা, কাঁচি, কুড়াল ইত্যাদি তৈরি করেন কামার।

মানুষের মাঝে শ্রম বিভাজনের সুবিধা তৈরি হয়েছিল। সমাজ গঠনে এই শ্রম বিভাজন ভূমিকা রেখেছিল।

দিনে দিনে পরিবারের আকার ও সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করল। মানুষ ফসলের পরিচর্যা করে ফলন বৃদ্ধি

করে

 বেশি পরিবেশ সচেতন হতে থাকল। ঋতুচক্রের উপর ফসল উৎপাদন যে নির্ভরশীল এটা শিখল। কোন ঋতুতে কোন ফসল উৎপাদন করা যায় তা বুঝল। ফলে উৎপাদন দ্রুতই বাড়তে লাগল। কৃষিকাজ এবং পরিবারের নানা আনুষঙ্গিক জিনিসের প্রয়োজন অনুভব করে তা উৎপাদনে কিছু লোক অন্যদের চাইতে দক্ষতার পরিচয় দেওয়ায় শ্রম বিভাজন হলো। কুমার মাটির হাঁড়ি-পাতিল, কামার ধাতবযন্ত্র তৈরি করতে লাগল। এভাবেই সবাইকে নিয়ে সমাজ গঠিত হলো। এই ধরনের সমাজকেই নৃবিজ্ঞানীগণ আদি কৃষি

সংগঠন হিসেবে পরিচিত। শুধু খাদ্য নয়, সার্বিক নিরাপত্তার প্রথম ও প্রধান কেন্দ্র হলো পরিবার। স্নেহ, ভালোবাসা, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ দিয়ে সুরক্ষিত সকল পরিবার। বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যরা কাজ ভাগ করে নিতেন।

কৃষক ছাড়া আমাদের বাঁচা মুশকিল হয়ে যেতেই কৃষকরা তাদের অল্প টাকা মুনাফা লাভের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে নেই বৃষ্টি নেই তারা মাঠে-ঘাটে কাজ করে এর পরেও কৃষকদের অনেক বিপদ আসে যেমন ঝড় তুফান শিলাবৃষ্টি ধান পাকার সময় শিলা বৃষ্টি হলে পাকাধান শিলা বৃষ্টির কারণে পড়ে যায় এরপর না পারলেও দাম যে সময় হয়নি সময় বা তার বেশি বাতাস হলে দান মাটিতে পড়ে যায় এতে কিছু কারণের সমস্যা হয় কিন্তু তারা সবকিছু কে হার মানিয়ে তারা দিনরাত পরিশ্রম করে আমাদের জন্য এবং কি তাদের জন্য খাবার জোটে

আজ এ পর্যন্তই সকলে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আসসালামু আলাইকুম

Comments