বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
আসসালামু আলাইকুম সকলে কেমন আছেন আশাকরি সকলে ভালো আছেন আপনাদের দোয়ায় আমিও খুব ভালো আছি আমি আপনাদের সাথে আজ যেভাবে পোস্ট করতেছি সেই কথাগুলোর পোস্ট আর একটি পোস্ট করা আছে চাইলে সেটাও করতে পারেন আবার দ্বিতীয় পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সাথে
নিজস্ব উদ্যোগ, চেণ্টা, মেধা ও সৃজনশীলতা, দক্ষতা এবং সাফল্য সাজের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি নিয়ে যিনি নিজেই নিজের জীবিকা । বিয়ের ব্যবস্থা করেন, তাকে আত্মকর্মসংস্থানকারী বলে। একজন আত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তির সফলতার পূর্বশর্ত হিসেবে কারগুলো বিষয় কাজ করে, যেগুলোকে উদ্যোক্তার নিজস্ব বা ব্যক্তিক লাবলি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
আত্মকর্মসংম্মানে সফল হবেন বেশকিছু না সরকার। আত্মকর্মসংশ্বানকারীর ইকাঙ্খিত সাংলোর দ্বার উন্মোচন করে দেবে। আমা জিয়াকে কাজে লাগিয়ে ন্যূনতম ঝুঁকি নিয়ে আত্মপ্রচেষ্টায় জীবিকা আত্মকর্মসংস্থানকারীকে অবশ্যই পরিশ্রমী হতে হবে। এছাড়াও আত্মকর্মসংস্থানকারীকে বিচক্ষণ হতে হবে। কারণ কেবল নাস্তিই পারে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে। আরও আত্মকর্মসংস্থানে মাফলা লাতের জন্য আত্মকর্মসংস্থানকারীর মৃ চারিত্রিক বল ও আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে।
আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজে আয়ের ধারাবাহিকতা অনিশ্চিত এবং বেশি সম্মানজনক নয় বিধায় মানুষ অনেকটা বাধ্য হয়ে এ পেশায় নিয়োজিত হয়। তবে একটু গভীরভাবে চিন্তা ক পেশা কারও কারও জন্য প্রচুর অর্থ উপার্জনের পথ সুগম করে দেয়। অনেক সময় চাকরির চেয়ে বেশি পরিমাণ উপার্জন করা যায়। যেহেতু শ্রমশক্তির সরবরাহের তুলনায় কর্মসংস্থানের উৎস হিসেবে অধিকসংখ্যক চাকরির সৃষ্টির সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেহেতু উন্নত এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশেও চাকরির বিকল্প হিসেবে আত্মকর্মসংস্থান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অনেক বেশি। এসব শিক্ষিত বেকার যুবকদের বলা যায়, আত্মকর্মসংস্থান হাফিজুরের মতো এদেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের বেকারত্ব লাঘবে বিশেষ অবদান রাখতে পারে।
প্রয় অষ্টম শ্রেণি পাস করে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ানোর জন্য তিনি পতিত জমিতে বিভিন্ন সবজির চাষ করেন। এতে তিনি বেশ লাভবান হন। অন্যান্য বেকার যুবক-যুবতীদের জন্যও তিনি একটা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর। কর্মহীন যুবক-যুবতীদের জন্য তার মতো যুক্তি দেওয়া
নিয়েই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাবে৷ আত্মকর্মসংস্থান বলে। দূর, তরুণ ও আগামী প্রজন্মকে আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়। তাদের অন্যতম পদক্ষেপ হলো: এদেরকে এই বলে অনুপ্রাণিত করতে হবে যে, কোনো কাজই ছোট বা অপমানজনক নয়, সফল উদ্যোক্তাদের তাদের সামনে উপস্থাপন করে তাদের জীবন কাহিনী শুনাতে হবে, আত্মকর্মসংস্থানের উপযুক্ত ক্ষেত্রগুলোর তালিকা প্রণয়ন করে তা দেয়ালে প্রচার করতে হবে, প্রয়োজনে তাদেরকে বিভিন্ন কাজে প্রশিক্ষণ

