আসসালামু আলাইকুম সকলে কেমন আছেন ? আশা করি ভাল আছেন । আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর মেহেরবানীতে আমিও খুব ভালো আছি । বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম নতুন আরেকটি পোস্ট নিয়ে। আমি আজকে আলোচনা করব ?
(সূত্র){https://images.app.goo.gl/qYwNgwdsPyfFBfUa8}
দেশের জনসংখ্যা পরিচিতি
তা কোনো দেশে নির্দিষ্ট সময়ে (এক বছরে) প্রতি হাজার নারী মোট যতটি জীবিত সন্তান জন্ম দেয় সে সংখ্যাকে জন্মহার বলে
কোনো নির্দিষ্ট এলাকার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতি এবং সার্বিক আর্থ-সামাজিক অবস্থা সেখানকার মৃত্যুহারকে প্রভাবিত করে। সাধারণত যেসব এলাকায় অবকাঠামো, যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত এবং আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য চরমভাবাপন্ন ও বৈরী নয় সেসব এলাকায় মৃত্যুহার কম। আবার যেসব এলাকায় অবকাঠামো, যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা অনুন্নত এবং আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতি চরমভাবাপন্ন সেসব এলাকায় মৃত্যুহার বেশি। আর
এভাবেই ভৌগোলিক উপাদান ও অবস্থান মৃত্যুহারকে প্রভাবিত করে। বিনয়বাবুর ক্ষেত্রে জনসংখ্যা পরিবর্তনে আন্তর্জাতিক স্থানান্তর উপাদানটির প্রভাব দেখা যায়।
(সূত্র ){https://images.app.goo.gl/75s4XzqQg39GjXTt5}
শহরের
জনসংখ্যার স্থানান্তর হলো দেশের ভেতরে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় অথবা এক দেশ থেকে অন্যদেশে চলে যাওয়া। স্থানান্তর দুই ধরনের- একটি আন্তর্জাতিক, অপরটি অভ্যন্তরীণ দেশের ভেতরে অর্থাৎ গ্রাম থেকে শহরে, শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে এবং শহর থেকে অন্য শহরে মানুষ স্থানান্তরিত হলে তাকে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তর বলে। আবার চাকরি, বসবাস বা নাগরিকতা লাভের জন্য স্থায়ীভাবে উপাদান জন্মহার ও মৃত্যুহারের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। দেশের বাইরে অর্থাৎ এক দেশ থেকে অন্যদেশে চলে যাওয়াকে আন্তর্জাতিক স্থানান্তর বলে। একটি নির্দিষ্ট বছরে নির্দিষ্ট বয়সের লোক প্রতি হাজারে কতোজন মারা যায় তা দ্বারা মৃত্যুহার নির্ণয় করা হয়। মৃত্যুহার কমে যাওয়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। ইউনুসের এক আত্মীয় মৃত্যুবরণ করেছে। যা জনসংখ্যা পরিবর্তনে প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান মৃত্যুহারের নির্দেশক। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে জনসংখ্যা পরিবর্তনে প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান জন্মহার ও মৃত্যুহারের প্রতিফলন ঘটেছে

