কক্সবাজার ভ্রমণ 2

S
sohel5454

আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রাতের খাবার শেষ করে আবার গাড়িতে উঠে বসলাম এখন আবার গাড়ি যাত্রাপথ শুরু হতে যাচ্ছে আমরা সকলে উঠে বসলা ডাইভার আমাদেরকে আবারো জিজ্ঞেস করল আপনারা সবাই কি ঠিক আছেন এখন আমি কি গাড়ি ছাড়তে পারি আমরা সবাইকে দেখে বললাম যে ঠিক আছে সবাই আপনি গাড়ি ছাড়তে পারেননি আবার চলতে শুরু করলো কুমিল্লা বিশ্বরোড দিয়ে গাড়ি চলছে তারপর চলতে চলতে চলতে চলে গেলাম আমরা চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম শহরে ঢুকে আমি আবার তাদেরকে বললাম ডাইরেক্ট চট্টগ্রামে একটু থামলেন আমি একটু চট্টগ্রাম টা দেখব তারপর চট্টগ্রামের ভিতরে ঢুকেই আমরা শহরের ভিতরে ঢুকেই চট্টগ্রাম আবার সবাই যার যার মধ্যে চাপান সিগারেট খাওয়া শুরু করে দিল আমি এসব কিছু না খেয়ে আমি চট্টগ্রাম টু ভালো করে দেখলাম রাতের অন্ধকারে তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না আমার ভালো লেগেছে তারপর আবার আধা ঘন্টা পরে আবারো শুরু করল এখন গাড়ির তেল শেষ হওয়ার পথে আমাকে কিছু টাকা দিতে হবে তখন আমাদের কাছে টাকা জমা ছিল আমাদের গাড়ি ভাড়া বাবদ টাকা গুলো সেখান থেকে এসে কিছু টাকা ড্রাইভারকে দিল সামনেই তেলের পাম্প তারপর তেলের পাম্পের কাছাকাছি এসে ড্রাইভার তেলের পাম্পের ভিতরে গাড়িটা ঢুকিয়ে দিল এরপর শুরু হয়ে গেল আমরা আমাদের কিছু লোক নামতে চাইছিল কিন্তু আমি নামতে দেই নাই বললাম যে সামনে একটু ভালো জায়গা আছে সে জায়গায় আমরা নামব তারপর তারপর কিছু রাস্তায় যেতেই গাড়িওয়ালা কে বললাম যে থামাতে গাড়িওয়ালা থামল তারপর আমরা নিম্মে চা-কফি যে যা খায় তারপর আবার গাড়ি ছেড়ে দিল যেতে যেতে প্রায় সকালের দিকে তখন কক্সবাজারের কাছাকাছি এসে পড়লাম তখন আমি তাকে বললাম ঢাকা সাভার কতটুক আছে দেবের সব আমাকে বলল তারপর কক্সবাজার চলে আসব তারপর অল্প কিছুক্ষণ যাওয়ার পর এই কক্সবাজার এর কাছাকাছি বা কক্সবাজারে এসে পড়েছি তো আমরা হোটেলটা আগেই রেডি করে রেখেছিলাম ফোনের মাধ্যমে কিন্তু ঠিক জায়গাটা ছিলাম না তারপর এক লোককে জিজ্ঞেস করলাম আমাদের হোটেলের নামটা ছিল নিরিবিলি এক লোককে জিজ্ঞেস করলাম যে নিরিবিলি হোটেল টা কোন দিকে সেই লোকটি আমাদেরকে এক রাস্তা দেখিয়ে দিলো তারপর ড্রাইভার সাহেব গাড়ির একটু ডান পাশে ঢুকিয়ে দিল এরপর আমাদের চোখের সামনে পড়লে নিরিবিলি হোটেল আমি তখন সামনে লেখা দেখলাম নিরিবিলি হোটেল আমি দেখে সবাইকে বললাম যে আমরা আমাদের হোটেলে এসে পড়েছি সকালে নামের সব গাড়িটাকে একটু টাইট করে বন্ধ করে দিল তারপর আমরা আস্তে আস্তে সকলি নামতে শুরু করলাম গাড়ি থেকে হোটেলের ভিতরে ঢুকিয়ে হোটেলের ম্যানেজার আমাদেরকে স্বাগত জানাল হোটেলের ম্যানেজারকে আমি বললাম যে আমাদের রুম গুলো কি খালি আছে নাকি খালি করতে হবে হোটেলের ম্যানেজার আমার আমাকে বলল আপনাদের সাথে কথা হয়েছিল বারোটার দিকে খালি হবে আপনারা একটু অপেক্ষা করেন বারোটা বাজলেই খালি হয়ে যাবে ঠিক আছে আমরা বারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করি সবাইকে আমি বললাম যে আপনারা সবাই বারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন বারোটার পরে আমাদের হোটেল খালি হবে আমি সবাইকে ইউ বললাম যে সবাই সকালের নাস্তাটা করে নিন তারপর আমরা না একটু অপেক্ষা করি সে জায়গায় তখন আমরা আছি জায়গার হোটেলে তেমন একটা চিনতাম না হোটেলের ম্যানেজার কি বললাম যে খাবার হোটেল কোন দিকে আছে আমাদেরকে দেখিয়ে দিন স্বাভাবিকভাবে হোটেলের ম্যানেজার তার এক লোক আমাদেরকে দিয়ে দিল সে বলল যে এই লোকটা কে সাথে নিয়ে যান আপনাদের কে জানিয়ে দিন আমাদের হোটেল থেকে একটু দূরেই খাবার হোটেল চোখে পরলো আমরা সবাই হোটেলের ভিতরে ঢুকে হাত মুখ ধুয়ে সকালের নাস্তার জন্য রেডি হচ্ছি আর পড়ার টেবিলে বসে অর্ডার করলাম সকালের নাস্তা হিসেবে রুটি আর ডিম পাড়ার করলাম আমি এটা শুধু আমার জন্য আর যে যেটা খাইতেছে শেয়ার করতেছে আমি শুধু দুটো রুটি আর ডিম অর্ডার করলাম

তারপর খাওয়া শেষ হোটেল থেকে আমরা সবাই মিলে বেরিয়ে পড়লাম আমাদের সেই থাকার হোটেল এর যাওয়ার জন্য সকলে মিলে আমরা থাকার হোটেলে চলে গেলাম আমাদের যে হোটেলের মেন আমাদের যে হোটেলের ম্যানেজার ছিল তাকে বললাম যে আমাদেরকে একটু বসা বিশ্রামের জায়গা দেন কারণ আমরা অনেক ক্লান্ত সারারাত জার্নি করে এসেছি অনেক ক্লান্ত ম্যানাজার হোটেলের ম্যানেজার আমাদেরকে তার পাশেই একটা অনুরোধ ছিল সেখানে বসে বসে আপনার আরাম করে বারোটার মধ্যে হোটেল খালি হয়ে যাবে

Comments