আসসালামুয়ালাইকুম আমি আজকে আপনাদের সাথে এক মর্মান্তিক আত্মহত্যা ঘটনা তুলে ধরব ঘটনাটি ঘটেছে আমাদের এলাকার আমাদের এলাকার হচ্ছে থানা-নালিতাবাড়ি গ্রাম গুজাকুড়া সেই আমাদের গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে আমি এই বিষয়ে কিছু আলোচনা আপনাদের সাথে করবো
ঘটনাটা হলো এক যুবতী মেয়ের আত্মহত্যা মেয়েটির নাম মোসাম্মৎ সুমি আক্তার তার বাবার নাম মোঃ শফিকুল ইসলাম থানা-নালিতাবাড়ি গ্রাম গোজাকুড়া আমাদের এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে মেয়েটির বয়স আনুমানিক 13 মেয়েটির ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে আমাদের এলাকা থেকে তার স্কুলটা একটু দূরে 4 কিলোমিটার রাস্তায় স্কুল ছিল স্কুলের মেয়ে টি পড়ে তো তার সাথে আরও তার বান্ধবীরা ছিল প্রতিদিন স্কুলে যেত প্রাইভেটে যেত যেতে যেতে রাস্তায় এক সময় এক ছেলের সাথে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে ছেলেটির নাম ঠিকানা আমার কিছুই জানা নেই তো ছেলেটি বা মেয়েটি এক সময় ভালো একটি সম্পর্ক তাদের মাঝে গড়ে ওঠে তারপর আস্তে আস্তে তারা মোবাইলে কথা বলা শুরু করে দেই মোবাইলে কথা বলতে বলতে একসময় মেয়েটি মা এ বিষয়টা জানতে পারে সে একদিন দেখছে তাদের ঘরে বসে সেই মেয়েটির রুমে ছেলেটির সাথে ফোনে কথা বলছে তারপর তার মা এই বিষয়টি জানার পর তাকে একবার সাবধান করা হয়েছিল কিন্তু মেয়েটি শোনেনি তার কিছুদিন পরে আবার সেই ছেলেটির সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলত তার মা দেখে তার মা দেখার পরে মেয়েটিকে বলল তুই এইভাবে মোবাইলে কথা বল আমি তোর বাবাকে এ বিষয়টি জানাবো মেয়েটা এক পর্যায়ে বলে আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসি আমার ইচ্ছা সেই ছেলের সাথে আমার বিয়ে দেন বিষয়টা তার মা জানার পরে হতাশ হয়ে পড়লো যে মেয়েটা কি বলি কিন্তু তবুও তার মা তার বাবার কাছে বলিনি ঘটনাটা কারণ তার মা মনে করে যে বয়স কম হয়তো বুদ্ধিটা তেমন নেই একটু পাগলামি করছে তারপর তার মা তাকে নানা ধরনের জ্ঞান দিয়ে বিষয়টাকে ওই সময় মীমাংসা করে দিল
আজ এই পর্যন্ত বাকি কথা শুনো আমি আরেক পূর্ব বলবো পড় সে পর্যন্ত আপনারা সবাই সুস্থ থাকেন ভালো থাকেন সবাইকে অবশ্যই জানাই আসসালামু আলাইকুম

