মরিয়ম খুব দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান।
পনের বছর বয়সে খুব দরিদ্র একলোকের সাথে তার পিতা-মাতা তার বিয়ে দেন।
সে (ছেলেটি) খুব অলস।
সে কোনো কাজ করে না। তাই পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য মরিয়ম কঠোর পরিশ্রম করে। ইতোমধ্যে সে এক ছেলে সন্তানের মা হয়েছে।
মরিয়ম তার স্বামীকে কাজ করতে ও ছেলের জন্য কিছু অর্থোপার্জন করতে বলল। কিন্তু সে এতে কান দিল না। মরিয়ম ভাবল, আয় বৃদ্ধির জন্য তাকে আরো কিছু করতে হবে। শৈশবে সে কাপড়ে সূচিকর্ম করা শিখেছিল।
সে দোকান থেকে সাদা (কাজ করা বা চিত্রিত নয় এমন) শাড়ি এনে সূচিকর্ম সম্পাদনের পর সেগুলো দিয়ে আসতো। প্রতি শাড়ির জন্য সে ১৫০ টাকা পেত। এটি তার চোখ খুলে দিল। সে গ্রামীণ ব্যাংকে গিয়ে ৫০০০ টাকা ঋণ গ্রহণ করল।
স্থানীয় বাজারে সে একটি দোকান ভাড়া নিল।
ঋণের অর্থ দিয়ে সে কারখানা থেকে পাইকারি দামে সাদা শাড়ি কিনল। সে তার বোন ও অন্যান্য মহিলাদেরকে নিয়ে শাড়িগুলোতে সূচিকর্ম করে বাজারে বিক্রয় করল। তার স্বামী দোকানে বসতো। এভাবে দুই বছর সময়ের মধ্যে মরিয়ম ও তার স্বামী অনেক টাকা আর করল। তারা ঋণ পরিশোধ করে একটি নতুন ঘর নির্মাণ করল এবং সুখে শান্তিতে বসবাস করতে শুরু করল। তাদের একটি মেয়েও হয়েছিল। মরিয়ম ও তার স্বামী সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে। বর্তমানে তাদের পরিবারটি একটি সচ্ছল পরিবার।

