সফলতা অর্জনের প্রধান সিদ্ধান্ত

S
shovon

প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত নিয়ােগ বা যােগাড় করার কাজকে কর্মীসংস্থান বলে। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্নপর্যায়ে কখন, কী ধরনের, কোন মানের, কত সংখ্যক কর্মীর প্রয়ােজন হবে তা নির্দিষ্টপূর্বক যথাযথ উৎস থেকে কর্মী সংগ্রহ, আগত কর্মীদের মধ্য থেকে উপযুক্ত কর্মী নির্বাচন, নিয়ােগ ও স্থাপনা এবং প্রয়ােজনীয় প্রশিক্ষণের

মাধ্যমে সর্বস্তরে উপযুক্ত জনশক্তির সংস্থান বা ব্যবস্থা করাকেই কর্মীসংস্থান নামে অভিহিত করা হয়। এক্ষেত্রে

প্রতিটা কাজ ধারাবাহিকভাবে সম্পাদিত হওয়ায় এবং একটা কাজের ফলপ্রদতা অন্যকে প্রভাবিত করায় তা

নিঃসন্দেহে প্রক্রিয়ার নির্দেশ করে। নিম্নে কর্মীসংস্থান প্রক্রিয়ার পদক্ষেপসমূহ আলােচনা করা হল কর্মীসংস্থান প্রক্রিয়ায় কর্মী সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ

উপাদান বা পদক্ষেপ। এর উদ্দেশ্য হলাে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োেজন ও পূর্ব নির্দিষ্ট মান অনুযায়ী যােগ্যতর জনশক্তি কোন উৎস হতে সংগ্রহ করা যাবে তা খুঁজে বের করা এবং উক্ত উৎস হতে প্রয়ােজনীয় জনশক্তিকে কর্মী নির্বাচনের সুবিধার্থে প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত আনার ব্যবস্থা করা। তাই কর্মী সংগ্রহ প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ হতে কর্মী নিয়ােগের রিকুইজিশন সংগ্রহ, উক্ত কর্মীদের মান বিবেচনায় উৎস নির্ধারণ, উৎস অনুযায়ী প্রয়ােজনীয়

বিজ্ঞপ্তি প্রদান এবং সম্ভাব্য চাকরি প্রার্থীদের মনে উৎসাহ সৃষ্টি করে তাদেরকে আবেদন করতে উৎসাহিত করা

পর্যন্ত ব্যাপৃত। সাধারণ অর্থে কর্মী নির্বাচন বলতে নতুন কর্মী নিয়ােগ করার

প্রক্রিয়াকে বুঝায় । অর্থাৎ কোনাে কাজ সঠিকভাবে সম্পাদনের জন্য যে সকল যােগ্যতা ও কর্মক্ষমতাসম্পন্ন কর্মীর

প্রয়ােজন হয় সেই মতাে ক্মী বাছাই ও নিয়ােগ কার্যকে নির্বাচন বলা হয়ে থাকে। কর্মীসংস্থানের ক্ষেত্রে কর্মী সংগ্রহ হলাে নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য কর্মীদের প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত নিয়ে আসা আর নির্বাচন হলাে আগত চাকরি প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রয়ােজন অনুযায়ী যােগ্য কর্মী নির্বাচন করে নিয়ােগের ব্যবস্থা করা। পদোন্নতির জন্য করাও নির্বাচন প্রক্রিয়ার অধীন।৩. নিয়ােগ ও স্থাপনা কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনাে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ােগ দানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে তখন তা কার্যকর করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয় তাকেই কর্মী নিয়ােগ বলে। নিয়ােগপত্র ইস্যু, যােগদানপত্র গ্রহণ, যথাস্থানে কাজে নিয়ােগ, সর্বোপরি কর্মীকে চূড়ান্ত বা

স্থায়ীভাবে নিয়ােগদান পর্যন্ত কার্য প্রক্রিয়াকেই কর্মী নিয়ােগ হিসেবে গণ্য করা হয় । বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানসমূহে

অনেক সময় একই মানের অনেক কর্মী একত্রে নিয়ােগ দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে কোন কর্মী কোন ধরনের কাজে ভালাে করবে সেটা বুঝে নিয়ােগ করার প্রয়ােজন পড়ে। 

ব্যাংক বা সরকারি অধিদপ্তরসমূহে অনেকসময়ই একত্রে অনেক কর্মী নিয়ােগ দেয়া হয়। যাদের কোন শাখায় বা

অফিসে যােগদান করতে বলা হবে তাও স্থাপনার সাথে সম্পর্কযুক্ত। সাধারণ অর্থে, কোনাে কিছু হাতে-নাতে শিখানােকে বা পেশাগত শিক্ষাদানকে প্রশিক্ষণ বলে। ব্যাপক অর্থে, প্রতিষ্ঠানে নিয়ােজিত কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য হাতেনাতে কাজ শিক্ষাদান, কাজের ব্যাপারে বিস্তারিত অবহিতকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণের প্রক্রিয়াকে প্রশিক্ষণ বলা হয়। প্রশিক্ষণ হলাে কর্মী উন্নয়নের একটা আনুষ্ঠানিক উপায় বা পদ্ধতি । কার্যকর তত্ত্বাবধান, উত্তম ব্যবহার, আর্থিক ও অনার্থিক সুযােগ- সুবিধা ইত্যাদি কর্মীর কার্যসন্তুষ্টি ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও কর্মীর কার্যদক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের কোনাে বিকল্প নেই।

Comments

sereybd

অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি  থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।

Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)