শিল্প বাজার বিভক্তিকরণ

S
shovon

বিপণনকারী ভােক্তাবাজার ও ব্যবসায় বাজার বিভক্তিকরণের জন্য অনেকগুলাে একই ধরনের চলক ব্যবহার করে। ব্যবসায় বাজারকে ভৌগােলিক,জনসংখ্যা বিষয়ক শিল্প, কোম্পানির আয়তন বা কাঙ্খিত সুবিধা,ব্যবহারকারীর মর্যাদা,ব্যবহারের হার এবং আনুগত্য মর্যাদার ভিত্তিতে ভাগ করা যায়। এর বাইরেও পরিচালনা বৈশিষ্ট্য, ক্রয়

 অ্যাপ্রােচ, পরিস্থিতিগত উপাদান এবং ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বিভক্তিকরণ করা যায় জনসংখ্যা বিষয়ক বিভক্তিকরণ শিল্প বাজার বিভক্তিকরণের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা বিষয়ক বিভক্তিকরণ বলতে বোঝানাে হচ্ছে শিল্প, কোম্পানির আয়তন ও অবস্থানের ভিত্তিতে বাজারকে বিভক্ত করা। শিল্প পণ্যটি যেসব শিল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে সে সব শিল্পের ভিত্তিতে বাজার

 বিভক্তিকরণ করা যেতে পারে। যেমন- একটি বৈদ্যুতিক মটর বিভিন্ন ধরনের শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তাই শিল্পের ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্ষমতাসম্পন্ন মটর উৎপাদন ও বিপণন করা যায়। কোম্পানির আয়তন যেসব কোম্পানি পণ্যটি ব্যবহার করে সে সব কোম্পানি কর্মীর সংখ্যা, উৎপাদনের পরিমাণ, বিক্রয়ের পরিমাণ, উৎপাদন ইউনিটের সংখ্যা প্রভৃতির ভিত্তিতে বড়-ছােট হতে

 

পারে। বড় আয়তনের কোম্পানিতে নিজস্ব বিক্রয়কর্মীর মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রয় করা যায়। আর ছােট

কোম্পানিতে এজেন্টের মাধ্যমে বিক্রয় করা যায়। তাই কোম্পানির আয়তনের ভিত্তিতে শিল্প বাজারকে বিভক্ত

করা যায়। ব্যবহারকারী-অব্যবহারকারী মর্যাদা অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা পণ্যটি ব্যাপক হারে ব্যবহার করে, অনেক প্রতিষ্ঠান মােটামুটি ব্যবহার করে, অনেক প্রতিষ্ঠান কম ব্যবহার করে, আবার অনেক প্রতিষ্ঠান পণ্যটি ব্যবহারই করে না। ব্যবহারের হার অনুযায়ী বা ব্যবহারকারী ও অব্যবহারকারীর ভিত্তিতে

বিপণন কর্মসূচিও ভিন্ন হয়।

ক্রেতার যােগ্যতা পণ্যটি ব্যবহারকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের অনেক ধরনের সেবা

প্রয়ােজন হয়, আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের খুব কম সেবা প্রয়ােজন হয়। সেবা বেশি প্রয়ােজন হলে কর্মী, যন্ত্রপাতি,

সেবাকেন্দ্র ইত্যাদি রাখতে হবে।

অ্যাপ্রােচ ক্রেতাদের ক্রয় অ্যাপ্রােচের ভিত্তিতে শিল্প বাজারকে বিভক্তিকরণ

যায়। যেমন- ক্রয়কার্য সংগঠন কিছু কিছু সংগঠনের ক্রয় কাজ কেন্দ্রীভূত,

আবার কিছু সংগঠনের বিকেন্দ্রীভূত। ধরা যাক, একটি প্রতিষ্ঠানের স্থানে উৎপাদন প্লান্ট আছে। প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়ােজনীয় সকল পণ্য ক্রয় করতে পারে। আবার, প্রত্যেকটি প্লান্ট তাদের প্রয়ােজনীয় পণ্য নিজেরাই কিনতে পারে। কেন্দ্রীভূতভাবে পণ্য ক্রয় করা হলে বিপণনকারীকে এক ধরনের কৌশল গ্রহণ

করতে হবে। আর ক্রয় বিকেন্দ্রীভূত হলে ভিন্ন ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে হবে। শক্তি কাঠামাে প্রতিষ্ঠানের শক্তির কাঠামাের ভিত্তিতে বাজার বিভক্তিকরণ করা যেতে পারে। কিছু প্রতিষ্ঠান প্রকৌশলগতভাবে শক্তিশালী, কিছু আর্থিকভাবে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান বিপণনের দিক থেকে শক্তিশালী। তাই শক্তি কাঠামাের ভিক্তিতে বিপণন প্রচেষ্টা গ্রহণ করা যেতে পারে।

 

PHOTO SOURCE

Comments

sereybd

অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি  থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।

Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)