টাকি মাছের রেসিপি ও পুষ্টিগুণ।(রান্নার সহজ উপায়)

S

হ্যালো বন্ধুরা,

শুভ বিকাল, আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন ও সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।

বরাবরের মত আজ ও আরো একটি নতুন ব্লাগ নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। ব্লগ টি হল কিভাবে আমরা টাকি মাছ ঝোল করব। প্রথমে আমরা রান্নার উপকরণ গুলো জেনে নিব।

টাকি মাছ রান্নার উপকরণ গুলো:-

পেঁয়াজ

রসুন

কাঁচা ঝাল

জিরে বাটা

সরিষা বাটা

হলুদের গুঁড়া

লবণ

তেল ইত্যাদি রান্নার উপকরণ।

 

রান্নার পদ্ধতি:-

টাকি মাছ গুলো আসটে তুলে ভালো করে পরিষ্কার করে নেব তারপর মাছগুলো চার থেকে পাঁচবার ধুয়ে নিব তারপর সমস্ত রান্নার উপকরণ গুলো কেটে নিব সরিষা ও জিরা গুলো মিহি করে বেটে নিব

আমরা রান্নার জন্য একটি পরিমাণমতো কড়াই অথবা পাতিলা নিব তারপর কড়াই গরম হয়ে উঠলেন তেল দিব পরিমাণমতো তেল গরম হয়ে উঠলো পেঁয়াজ-মরিচ ও রসুন প্রথমে ভেজে নিব যাতে করে দেখতে লাল এর মত হয়।

তারপর মাছগুলো ঢেলে দেবো ভাজা পেঁয়াজ মরিচের উপরে পরিমাণ মত লবণ হলুদ সরষে বাটা জিরা বাটা একই সাথে অ্যাড করব কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ডেকে দেবো।

দুই থেকে তিন মিনিট পর ঢাকনা টা উঠিয়ে দিব তারপর টাকি মাছগুলো আস্তে আস্তে করে নাচে থাকবো খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে মাছগুলো ভেঙ্গে ছড়িয়ে না যায় আবার নিচে লেগে না যায় সব দিকে খেয়াল রেখে মাছগুলো নাড়তে হবে।

 

10 থেকে 12 মিনিট নাড়াচাড়া করার পর পরিমাপ মত পানি অ্যাড করতে হবে তারপর পুনরায় আবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে 20 থেকে 25 মিনিট জ্বালানোর পর টাকি মাছের ঝোল টি বন্ধ করে দিতে হবে।

টাকি মাছের পুষ্টি উপাদান সমূহ:-

টাকি মাছের ভিতর কি কি ভিটামিন রয়েছে তা আমরা সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করব:-

টাকি মাছ একটি আমিষ জাতীয় খাবার,টাকি মাছের ভিতরে রয়েছে প্রোটিন, জিংক ও আয়োডিন।

 

টাকি মাছ এটি অসুস্থ রোগীর জন্য খুবই উপকারী। এই মাছ খেলে রক্তস্বল্পতা দূর হয় এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খুবই উপকারী এই টাকি মাছ। এই মাছ খেলে দ্রুত সুস্থতা লাভ করা সম্ভব কারণ এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল ও আমি দ্বারা ভরপুর।

তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই। সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই প্রত্যাশা রইল সকলের প্রতি।

আমার এই পোস্টটি ভিজিট করার জন্য আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।

Comments

আপু আপনার টাকি মাছের রিসিপি টা খুব সুন্দর হয়ছে। তার সাথে আমি ও আমার হাতে টাকি মাছের  বিড়ান খেয়ে থাকি খুব ভালো লাগে।