কম কথা বলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

S

হ্যালো গাইস,

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং অনেক সুন্দর দিন অতিবাহিত করছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি। আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় কম কথা বলাই বুদ্ধিমানের লক্ষণ এ বিষয়টি নিয়ে।

আমাদের সমাজে অনেক মানুষকে দেখি যারা বেশি কথা বলে তাদেরকে লোকে বাচাল বলে থাকে গ্রাম্য ভাষায়। বেশি কথা বলা মানুষদেরকে কখনো মানুষ পছন্দ করে না তারা অযথা বেশি কথা বলে থাকে এটি মানুষের বিরক্তের কারণ হয়ে থাকে। যারা বেশি কথা বলে তারা ভুল করে বেশি সে তুলনায় যারা কম কথা বলে তারা চিন্তা-ভাবনা এবং তাদের মেধা খাটিয়ে তারপরে কথা বলে থাকে কোথায় কোন কথা বলতে হবে এটা আমাদেরকে প্রথমে শিখতে হবে আমরা শুধু বয়সে বড় হইলেই আমরা কিভাবে কথা বলতে হয় এবং কোন কথা কোথায় বলতে হয় এটা শিখতে পারি না।

 

যারা কম কথা বলে তাদেরকে সমাজের মানুষ অল্প ভাসি বলে এবং তাদেরকে সকলে পছন্দ করে।কিন্তু অনেকে আছে যারা হাত কম কথা বলে কিন্তু নিজেদের ভিতরে আত্ম অহংকারী বোধ করে এসব ব্যক্তিগণ এদেরকে সমাজের কেউই পছন্দ করেনা সকলে ঘৃণা করে থাকে ঠিক যেমন বাঁচার লোকেরা বেশি কথা বলে তাদের মত।

চারা কথা বলার মাঝে চিন্তাভাবনা করে কথা না বলে আসলে তারা বকাশ স্বর্গে বাস করে কারণ আপনার মুখ থেকে যে কথাটা একবার বাহির হয়ে যাবে সে কথাটি আপনি কখনো আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন না আপনার মুখে তাই কথা বলার আগে আমাদের সকলকে চিন্তা ভাবনা করেই কথা বলা উচিত।আমরা মানুষকে কি বলছি সে মানুষ আমার কথায় কষ্ট পেল কিনা দুঃখ পেল এদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কাউকে ছোট করে কখনো কোনো কথা বলা যাবে না সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে কিন্তু যারা অতিমাত্রায় বাচাল তারা কোথায় কি কথা বলতে হয় সে কথা চিন্তা না করেই একটা কথা বলে দেয় তারা সব সময় রেডি থাকে কথা বলার জন্য তারা অন্যের কথা কম শুনে তারা বেশি বলতে পছন্দ করে তাই সমাজের কেউই বাঁচাল লোকদেরকে পছন্দ করে না।

 

আমাদের সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে আমাদের কথায় মানুষজন যেন বিরক্ত বোধ না করে অবশ্যই সেদিকে নজর বাদ দেওয়া উচিত কারণ আপনার কথায় যদি মানুষ বিরক্ত বোধ করে তাহলে আপনাকে সে সব কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে আপনাকে চিন্তা ভাবনা করে কথা বলতে হবে যেহেতু সৃষ্টিকর্তা আপনাকে বিবেক-বুদ্ধি মেধা দিয়েছে তাই আপনি কোথায় কি কথা বলতে হবে সেটা চিন্তা ভাবনা করেই কথা বলুন।আমরা সকলে কথা বলতে পারি কিন্তু কোন কথা কোথায় বলতে হয় এইটা শিখতেই আমাদের সারা জীবন কেটে যায় কারণ কথা বলাটা একটা শিল্প কারণ আপনাকে আপনার মার্জিত ভাষায় সুন্দরভাবে কথা বলাটা শিখতে হবে এবং কোন কথা কথাই বলতে হবে যাতে আপনার কথাই অন্যরা কষ্ট না পায় সেদিকে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

 

অযথা অতিমাত্রায় কথা বলা মানুষদেরকে কেউই পছন্দ করেনা যারা বেশি কথা বলে তারা বেশি ভুল করে কারণ যে যত বেশি কথা বলবে সে তত বেশি ভুল করবে এটা স্বাভাবিক বিষয় কারণ যারা বেশি কথা বলে তাদের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে কারণ তারা চিন্তা ভাবনা করে কোন কথা বলে থাকে না যেটা মুখে আসে সেটা বলে ফেলে এতে মানুষ কষ্ট পেল বা দুঃখ পেল সেদিকে তারা কখনো খেয়াল করে না তাই যারা অতিমাত্রায় কথা বলে থাকে এদেরকে কেউই সমাজের লোক অথবা নিজের পরিবারের লোকও পছন্দ করে থাকে না কারণ এদের মুখ থেকে সবসময় কথা মিশ্রিত হতে থাকে এদের দ্বারা মানুষ যেকোনো সময় যেকোন রকম কষ্ট পেতে পারে তাই বাঁচার লোকদের ছাড়া সব সময় দূরে থাকাই শ্রেয় কারণ বাসার লোকেরা তারা তর্কে সবসময় নিজেরাই জিতে যাবে আপনাকে বলার সুযোগ দিবে না তারা ভাবে তারা নিজেরাই সবকিছু জানে অন্যরা সবকিছু জানে না।

 

অল্প ব্যক্তিগণ এরা সব সময় শুনে বেশি কথা বলে কম কারণ মানুষ কি বলল সেটা আপনাকে আগে প্রথম শ্রবণ করতে হবে তারপরে আপনাকে বলতে হবে কারণ অন্যের কথা আপনি যদি না শোনেন তাহলে সে কি বোঝাতে ছিল সেটা আপনি কখনো অনুধাবন করতে পারবেন না তাই আমাদের সকলকে কথা কম বলা উচিত আগে শোনা উচিত বেশি বেশি যে ব্যক্তি শুনে সে ব্যক্তি ভুল করে কম এবং তার কথাই মার্জিত এবং সে বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলতে পারে।অল্প বয়সী ব্যক্তিজনকরকে মানুষজন পছন্দ করে থাকেন কারণ এরা কখনো অন্যদেরকে ছোট করে কথা বলে না এবং অন্যরা কষ্ট পায় এমন কোন কথা বলে থাকে না যার কারণে সকলে এদেরকে ভালোবাসে।

 

কখনো অল্পভাষীরা যারা বাচাল প্রকৃতির এসব ব্যক্তিদের সাথে কখনো তর্ক জড়ায় না কারণ যারা বাচাল প্রকৃতির বেশি কথা বলে এরা কখনো নিজেদেরকে ছোট করতে জানে না এরা সব সময় ভাবে এরা সবজান্তা শমসের। এরা যেটা বোঝে সেটাই শ্রেষ্ঠ কিন্তু যারা কম কথা বলে তারা কখনো নিজেকে বড় বলে জাহির করে না এরা সব সময় শুনতে পছন্দ করে আগে মানুষকে বলতে দেয় এবং সেটা ছোট বোন করে এবং বুঝে শুনে তার উত্তর দেয় এটাই হলো প্রকৃত জ্ঞানের কাজ। যারা কম কথা বলে থাকে তারা সব সময় আগে কি বলতে হবে সে বিষয়টা নিয়ে ভাবে তারপরে অন্যকে সে কথাটা বলে তাদের মুখে যেটা আসে সেটা কখনোই বলে থাকে না কারণ বাচাল প্রকৃতির দশটি কথা এবং যে ব্যক্তি কম কথা বলে সে ব্যক্তির একটি কথার সমান।তাই আমরা কখনো বাঁচার প্রকৃতি হবো না কারণ বাছান প্রকৃত মানুষদেরকে সমাজের কেউই পছন্দ করেনা কারণ তারা যে কোন সময় মানুষকে ছোট করতে দ্বিধাবোধ করে না।

তো বন্ধুরা আমরা কখনো মান��ষকে ছোট করে দেখবো না এবং অতিমাত্রায় কথা বলবো না কারণ অতিমাত্রা কথা বলা কেউই পছন্দ করে না তাই আমরা নিজেদেরকে বুদ্ধির পরিচয় দিতে গেলে অবশ্যই আপনাকে আগে শুনতে হবে এবং তারপরে চিন্তা ভাবনা করে মেধা খাটিয়ে কথার উত্তর দিতে হবে। তাহলে আপনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবেন এবং আপনার ভুল হবে কম। আরো বেশি কথা বলে তারা ভুল করে বেশি কারণ এটা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয় তারা চিন্তাভাবনা না করে কথা বলার কারণে তারা বেশি বেশি ভুল করে থাকে।

 

বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এ প্রত্যাশা রইল সকলের প্রতি আবার পরবর্তী দিন আপনাদের সাথে দেখা হবে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে। আল্লাহ হাফেজ।

Comments