আজ কথা বলব প্রাকৃতিক কিছু নিয়ে। যেমন আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন। আকাশ মেঘে ঢাকা আকাশ ছোটবেলায় যখন অনেক ছোট ছিলাম রাত্রিবেলা আকাশের চাঁদনী পর আলো থাকতো। সেই আলোতে রাত্রি ও ভালো একটা ভালো হতো। রাত্রিবেলা এখনো কথাগুলো খুব মনে আছে তখন রাতের বেলা গ্রামের উঠানে চারটি বিছিয়ে সবাই একসাথে বসে কথা বলতো আমি আম্মুর কোলে মাথা রেখে চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম অসংখ্য তারা গুনতাম তারাদের এটা সেটা অনেক প্রশ্ন করতাম অনেক গল্প শুনতাম ভালো ছিল সেই দিনগুলো ভালো ছিল সেই সময়। তারারা কি সুন্দর একে অপরের সাথে খেলাধুলা করত চোখের পলকেই একতারা অন্যদিকে চলে যেত অনেক ভাল লাগত আল্লাহতালার কত সুন্দর প্রকৃতি। তবে আগের মত এখন আর তেমন দেখা যায় না প্রকৃতি নিশ্চুপ হয়ে গেছে। আগের মতো আর বৃষ্টি ও হয়না প্রকৃতি যেন কেমন ভাবে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের কারণেই এসবের জন্য আমরাই দায়ী আমরা সাবধানতা অবলম্বন করি না পরিবেশ সুন্দর রাখে না আমাদের কারণে বন-জঙ্গল সব ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে গাছপালার শূন্যতা হয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে আগের মত আর পাখিরা ডাকেনা রোজ সকালে যখন ঘুম থেকে উঠতাম অনেক সুন্দর পাখি পাখি আওয়াজে ঘুম ভাঙতো মোরগের আওয়াজে ঘুম ভাঙতো এখন আর তেমন কোন আওয়াজ হয়না প্রকৃতির যেমন নিশ্চুপ হয়ে গেছে এর জন্য কেবল আমরাই দায়ী।ঘন মেঘে ঢাকা আকাশ যেন কিছু বলে বেড়াচ্ছে এমন সময় কার না ভালো লাগে এরকম প্রাকৃতিক দৃশ্য অনেক সুন্দর। আল্লাহ তাআলার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক সৌন্দর্য হচ্ছে সূর্য আমরা সূর্য থেকে আলো পেয়ে থাকি সূর্য এর মাধ্যমে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজ করে থাকে। আমরা সূর্য থেকে আলো পায় শক্তি পাই এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সূর্য প্রধান। সূর্য না থাকলে আমরা পৃথিবীতে সব অন্ধকার দেখতাম কোন আলো পেতাম না এই দেশে কোন উন্নতি হতো না প্রযুক্তি যেন থেমেই থাকতো।
আমাদের গ্রাম গ্রামের পরিবেশ যেন অনেক সুন্দর জেলা শহরে খুঁজে পাওয়া যায় না। এর মাথায় সবসময় আমি খেলাধুলা করি সারা দিন শেষে বিকেল বেলা একটু সময় এই মাঠে খেলাধুলা করি। দিনকাল কাটছে এমনি ভাবে কাটছে সময়।
এই গ্রামের মাটির সাথে যেন কেমন একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে।
এবার বলি কৃষক নিয়ে যান আমাদের নিত্য এবং দৈনন্দিনের খাবার জোগান দেয় কঠোর পরিশ্রম করে দিন রাত 24 ঘন্টা ক���োর পরিশ্রম করে আমাদের জন্য ফসল তৈরি করেন। আমরা যারা বড়লোক হয় তাদের চোখে আমাদের একই সব কিছুই না তারা মূল্য দিতে জানে না একজন কৃষককে অথচ এটা ভাবেনা আমাদের মত কৃষকরা যারা কঠোর পরিশ্রম করে ফসল তৈরি করে আমরা যদি না করতাম তাহলে তারা কি খেয়ে বেঁচে থাকত আমাদের সমাজে কৃষকদের কোন মূল্যই পাওয়া যায় না। অসংখ্য কষ্ট করে
বাসর কিভাবে তৈরি করতে হয় প্রথমে জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে মাটিয়ালা কালকা করা হয় তারপর সেখানে পানি দিয়ে মাটি নরম করা হয় তারপর বিভিন্ন ধরনের সার প্রয়োগ করা হয় মাটিকে শক্তি যোগাতে তারপর তার ওপর বীজ রোপন করা হয় তার কিছুদিন পর আলী হয় সেই আলী নিয়ে একটা একটা করে পুরো খেতে বিছানো হয় কোন জমিতে বিছানো হয় তারপর আবার এর ওপর সার প্রয়োগ করা হয় যখনি ধান গাছ গুলো অল্প বড় হয়ে যায় তখন আবার পরিষ্কার করা হয় বিভিন্ন ধরনের পোকা মাকর থেকে থাকে তা পরিষ্কার করানোর পর আবার আর প্রয়োগ করা হয় যখন বড় হয়ে যায় তখন তার কাটা হয় ধান কাটার পর আবার একটি মেশিনের মাধ্যমে ধানগুলো কাছ থেকে আলাদা করা হয় তারপর ধানগুলো আবার আড্ডা মেশিনের মাধ্যমে ধানের খোসা থেকে চালে পরিণত করা হয় এবং সেই আমরা দেশের বাইরে এবং বিভিন্ন দেশে রপ্তানি আমদানি করা হয় এবং সেই চাল থেকে আমরা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি।


অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)