"হিংসা ও শত্রতা কমাতে ছোটো ছোটো ব্যবসা করেছি"....কবি ও সাহিত্যিক জেড এফ আদন
➤পুলিশ এসে আমার বাড়ি ঘেরাও করলো।অনেক পুলিশ।আমার নামে কোনো মামলা ছিলো না,ছিলো গ্রামের কতিপয় মানুষের হিংসা ও শত্রুতা।তারা আমাদের থানার পুলিশ এবং ওসিকে মিথ্যা উসকানি দিতো। গভীর রাতের ঘটনা। আমাদের গৃহের দরজায় পুলিশ পা দ্বারা আঘাত করে শব্দ করলো।মা সঙ্গে সঙ্গে দরজায় এসে মৃদুস্বরে বললো- "বাবা আমরা গরীব মানুষ; দরজা ভেঙে যাবে,আমি খুলে দিচ্ছি দরজা।" দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ঠিক আমি যে রুমে থাকতাম সেই রুমে গেলো পুলিশ।কিভাবে জানতো ওরা; আমি যে ঐ রুমেই থাকি?
আমার বিছানায় ছোটো ভাই জামিল শুয়ে আছে। ওকে দেখে ওরা বললো ফেরদাউস কই? মা বললো
ও তো ঢাকায় আছে। পুলিশ আর কিছু না বলে চলে যাচ্ছে। মা ঘরের বাহিরে এসে দেখলো আমাদের গ্রামের সাধাসিধে ছেলে মাহবুবকে ধরেছে।তার হাত দুটো পিছনে পিটমোরা করে বেঁধে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার একদিন আগেই আমি ঢাকায় আসি।তাও আবার অলৌকিকভাবে।আমি ডাচ্ বাংলার ৬০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে সবেমাত্র শালাইপুর বাজারে লাইব্রেরির দোকান দিচ্ছি। উদ্দেশ্য ছিলো গরীব পরিবার;লেখাপড়ার পাশাপাশি ব্যবসা করবো। রুম ভাড়া নিয়ে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে স্বল্প মালামাল কিনে এনে দোকান গোছাচ্ছি। গরীব মানুষের ভালো কিছু অনেকে দেখতে পারে না।শালাইপুর বাজারে বই-পুস্তকের কোনো লাইব্রেরি ছিলো না।এখনো নেই। তো আমাদের গ্রামের কে জানি ওখানে লাইব্রেরি দিতে মনস্থির করেছিলো।তার আগে আমি দিচ্ছি; এটাও এক হিংসা ও শত্রুতার কারণ।আরো কারণ রয়েছে; তন্মধ্যে গরীব মূর্খ পরিবারের ছেলে হয়ে লেখাপড়ায় ভালো রেজাল্ট করা।ইতোপূর্বে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়ে উপজেলা ফার্স্ট হওয়া এবং এসএসসিতে A পেয়ে ডাচ্ বাংলা থেকে শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া। কারণ এক হিংসুকের বাড়িতেই আমি রাখালি কাজ করতাম। আমার উত্থান তাদের আর সহ্য হয় না।
হিংসা মানুষের সৎ আমলকে জ্বালিয়ে পুরিয়ে নষ্ট করে দেয়।আর যার বিরুদ্ধে হিংসা করা হয় স্বয়ং মহান আল্লাহ তার জিম্মাদারি হয়ে যান।তো শুভাকাঙ্ক্ষী আল্লাহ তায়ালা আমার মনকে জানান দিলেন তুমি ঢাকায় যাও।আমি কিভাবে যাবো ঢাকায়? কাছে টাকা নেই। লাইব্রেরির মালামাল, কম্পিউটার,প্রিন্টার কিনে টাকা শেষ। আর এসব রেখে ঢাকায় যাওয়া সম্ভব না।তবুও ডাচ্-বাংলা একাউন্টের ব্যালেন্স চেক করলাম।আশ্চর্যের বিষয় যে;............
Bengali Community

