আসক্ত শব্দটার সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত তাই না!
আসক্ত বা Addicted শব্দটা শুনলেই আমাদের মাথায় নেতিবাচক চিন্তাধারা ঘুরপাক খেতে থাকে। তবে আসক্তি তো ভালো কাজের প্রতিও হতে পারে। একেকজন একেক বিষয়ের প্রতি আসক্ত হতে পারে।
ছোটবেলায় বই পুস্তকে পড়েছিলাম সমাজের ক্ষতি করে এমন কিছুর প্রতি আসক্ত ব্যক্তি হলো- সামাজিক ব্যাধি। যেকোনো বাজে কোনো কিছুর প্রতি আসক্ত যে কতটা ভয়ংকর সেটা আমরা সবাই জানি।
তাহলে এর ভয়াবহতা জানার পরও কেন আমরা আমাদের সন্তানদের আসক্ত করে তুলি।
অবাক হচ্ছেন আর ভাবছেন, কিভাবে আমার সন্তানকে কোনো বিষয়ে আসক্ত করে তুললাম ???
তাহলে একটা কথা বলি শুনুন,,,
প্রথমত,
আপনার সন্তান খেতে না চাইলে কি মোবাইলে কার্টুন বা গেম চালু করে ফোনটা হাতে ধরিয়ে দেন?
দ্বিতীয়ত,
সন্তান পড়তে বসতে না চাইলে কি তাকে ১ ঘন্টা পড়া আর ১ ঘন্টা কার্টুন দেখার অফার করেন?
তৃতীয়ত,
কোনো বিষয়ে নিয়ে কান্না করলেও কি এই একই কাজটা করেন?
এই কাজগুলো যদি আপনি করে থাকেন তাহলে আমার ধারনাটাই তো সঠিক! আপনি আপনার সন্তানকে মোবাইলের প্রতি আসক্ত করে তুলছেন।
আপনি ভাবতে পারেন, এটা খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। এতে কি এমন হবে, এখন সবাই তো এমনই করে।
মোবাইল ফোনের তেজস্ক্রিয় আলো একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের চোখের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর তাহলে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারনে ছোট বাচ্চাদের চোখের উপর কতটা প্রভাব ফেলছে, এবার ভেবে দেখেছেন কি??
শুধু তাই নয়,,,
এখন থেকেই যদি সন্তানের মোবাইলের প্রতি আসক্তি জন্মে যায় তাহলে যতদিন যাবে এটা তো ততই বৃদ্ধি পেতে থাকবে আর এটা আপনার সন্তানের পড়াশুনা তথা ভবিষ্যত জীবনে উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
মোবাইল গেমিং বা অনলাইন গেমিং এ আসক্ত হওয়াটা যে কতটা মারাত্মক সেটা আমি নিজে খুব ভালো করেই জানি কারন সেটার ভুক্তভোগী ছিলাম আমি নিজে।

Comments
আসক্ত নিয়ে খুবই সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি৷ আপনার কাছ থেকে এত সুন্দর একটি পোস্ট পড়ে খুব ভালো লাগলো৷ এখন প্রতিনিয়তই সবাই এরকম অনেক কিছুর মধ্যে আসক্ত হয়ে রয়েছে৷ ধন্যবাদ আজকের সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আসসালামু আলাইকুম৷ কেমন আছেন ভাইয়া৷ আমি এই কমিউনিটিতে একেবারে নতুন৷ এখানে আমার কিভাবে কি করব তা যদি বলতেন তাহলে আমি অনেক খুশি হতাম।