অনেকদিন পর আবারো আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম বেশ কিছু দিন হয় পোস্ট লেখায় হচ্ছে না। অনেকটা অবহেলা করেই লেখা হচ্ছে না বলা যেতে পারে। তার উপর বাসায় কিছুটা কাজ চলছে। গতকালকে একটা কাজ এই বছরের জন্য শেষ করে দিলাম সেটা হল ভুট্টা রোপন করা। তিন চার দিন ভুট্টা রোপন করলাম অবশেষে গতকালকে তার অবসান ঘটলো এখন রয়েছে ধান মাড়াইরের কাজ সেটাও ২-৩ দিনের মধ্যেই শেষ করে দিব ইনশাআল্লাহ।
কয়েকদিন হয় শীতের তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে, তাই ঘুম থেকেও একটু সকালে উঠি। গতকালকে সাড়ে আটটার পর ঘুম থেকে উঠি আর ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে ভুট্টা রোপন করতে চলে যায়। যদিও সারাদিন কাজ করি না সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত করা হয়। আর হ্যাঁ অনেক দিন পর বোন এসেছে। বোন জামাই ভাইয়া ও এসেছিল আর দুদিন থেকে চলে গেছে কারণ ছুটি ছিল না আর বোন এক সপ্তাহ থাকবে তার পর আবার চলে যাবে।
যাইহোক ভুট্টা রোপন করার পর বাসায় চলে আসি আর বোনের সাথে কিছু সময় গল্প করি। এদিকে ভাগনা বলতেছে দোলনা বানিয়ে দিতে, পরে কি আর করব একটা রশি দিয়ে বস্তার সাথে বেঁধে সুন্দর করে একটা দোলনা বানিয়ে দেয় আর ভাইগ্না অনেক আনন্দের সাথে খেলতেছিল। এদিকে দুপুর হয়ে গেছে, তাই দেরি না করে প্রতিদিনের মতোই গোসল করে নেই।
আর গোসল করার পর খাবার খেয়ে বাসায় কিছু কাজ ছিল সেগুলো করি। তারপর রুমে এসে শুয়ে থেকে ফোনে কিছুটা সময় দেই। তার কিছুটা পরেই, বাইরে বের হই বিকাল মুহূর্তে বোনসহ রোদের মধ্যে বসে থাকে গল্প করতে থাকি। বাসায় বোন আসলে মনে হয় ঈদ এসে গেছে আমার চাচাতো বোনগুলো সব সময় আসে। এছাড়াও আশেপাশে অনেকেই আসে বোনকে দেখতে। আমাদের বংশের মধ্যে আমার বোন সবচাইতে বড় তাই তার প্রতি সবার একটা আলাদা মায়া। ছোট বাবু হওয়ার সময় অনেক অসুস্থ ছিল আর এইজন্য মানুষ আরো বেশি আসে।
যাই হোক বেশ কিছু সময় গল্প করার পর একটু বাজারে যাই, ভাইগ্না বলতেছিল বাজারে যাবে পরে ভাগনাকে নিয়ে বাজারে যাই। আর যাওয়ার পর বলি কি খাবে সে বলে ফুচকা খাবে। পরে ভাগ্নাকে ফুচকা খাইয়ে বাসার জন্য নাস্তা নিয়ে চলে আসি। ইতিমধ্যেই সন্ধ্যা হয়ে গেছে তাই বোনসহ রুমের মধ্যে বসে থেকে গল্প করতেছিলাম। অনেকদিন পর এসেছে গল্প যেন শেষই হয় না যখন একসাথে বসি অনেক মজা করি। আর ছোট বাবুটা আলহামদুলিল্লাহ বড় হয়ে গাছে দেখতে দেখতে ছয় মাস হয়ে গেছে।

Comments