source
তোমার লাইফের ছোট ছোট জিনিস গুলোকে উপভোগ করতে শেখো সেই ছোট ছোট জিনিস গুলোর ভেতর থেকে আর উন্দের রস নিংড়ে নিতে শেখো ভালো থাকার জন্য অনেক বড় কারণের দরকার হয়না একটা ছোট কারণ কেউ আঁকড়ে ধরে ভালো থাকা যায়।
আমি তো বলি ভালো থাকতে গেলে কোন কারণই লাগেনা লোকের ব্যাপারে চিন্তা করা বন্ধ করে দাও কে কি বলছে না বলছে তাতে কোন কান দিও না, কোনো ব্যাপারে বেশি চাপ নিও না। নিজেকে টেনশন ফ্রি রাখার চেষ্টা করো দেখবে এমনিতেই তুমি হ্যাপি থাকতে শুরু করে দিয়েছে।
source
আমরা সামান্য বিষয়ে চাপ নিয়ে ফেলি বলেই আমরা হ্যাপি থাকতে পারি না আমরা নিজেদের গণ্ডি তাকে এত টাই সংকীর্ণ করে নিয়েছি যে হ্যাপি থাকা তো দূরের কথা উল্টে হীনমন্যতায় ভুগি যখন তুমি নিজেকে অন্যদের সাথে কম্পেয়ার করতে থাকবে তখন দেখবে নিজেকে আরো মূল্যহীন মনে হবে মনে হবে।
তোমার থেকে বোধহয় ওই মানুষগুলো অনেক বেশি বেটার তাই নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করো না কারণ এই পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষই আলাদা এবং প্রত্যেকটা মানুষের ভিতরেই কোন না কোন ট্যালেন্ট লুকিয়ে আছে। কোন ব্যাপার নিয়ে তুমি যদি অভার্থিনকিং বা অতিরিক্ত ভাবতে শুরু করে দাও তাহলে তুমি কোনদিনও হ্যাপি হতে পারবেনা এছাড়া তোমার প্রিয় মানুষের প্রতি তুমি যদি সব সময় অকারণে সন্দেহ করতে থাকো তাহলেও তুমি কোনদিনও হ্যাপি হতে পারবেনা।
আসলে হ্যাপি থাকাটা অনেকটা আপেক্ষিক ব্যাপার এই পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি এক এক রকম ভাবে নিজেদেরকে হ্যাপি রাখি আসলে শুকবে হ্যাপিনেস কি হ্যাপিনেস হলো একটা ভালো অনুভূতি একটা ফিলিংস তারেই ভালো অনুভূতি আমরা যে কোনো ভালো কাজ করে পেতে পারি অনেকের নেশা করে হ্যাপি থাকার চেষ্টা করে কিন্তু নেশা তোমাকে হ্যাপি রাখেন নেশা তোমাকে বোকা বানায় আর যেখানে আমার শরীরের ক্ষতি হবে।


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ