একটি সিদ্ধান্ত আপনার জীবনকে ধ্বংস করে দেবে আবার একটি সিদ্ধান্ত আপনার জীবনকে সুন্দর করে দেন

S
sabus
যদি আপনি আজকের এই গল্পটা পড়েন। তাহলে  আপনার জীবনে অনেক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পাড়ে। এটা আপনার জীবনের সবথেকে ভালো গল্প, কারণ আমরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এত বেশি ভুল কাজ করি। যার জন্য অনেক বেশী সময় নষ্ট করে দেই। তার পরেও রাত্রে ঘুমানোর আগে আমাদের ভিতরে যদি সেই স্বপ্ন না থাকে। তাহলে আমাদের সারাদিনের কাজ গুলোকে ভালই মনে হবে। আমাদের মনে হবে যে ঠিক জায়গাতেই আমরা সময় দিয়েছি কিন্তু কখনো একা একটু ভেবে দেখবেন। সত্যিই কি আপনি সারাদিন ভালো কাজ করেছেন। তাহলে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। অন্য কোন কাজ আপনার মাথায় আসবে কিনা জানিনা। তবে এই গল্পটি  সবথেকে বেশি ভালো সময় হবে।

 একটা কৌতুক সত্য কথা হল আমাদের যে এডুকেশন সিস্টেম সেটাকে একটি ব্রিটিশ ডিজাইন করেছিল। আরে সিস্টেমটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল। যাতে এখান থেকে কেবল চাকর তৈরি হয় মালিক নয়। কারণ তিনি জানতেন যদি ইন্ডিয়ার লোক মালিক হওয়ার শিখে যায়। তাহলে রা সারা বিশ্বকে পিছনে ফেলে দেবে। কারণ মাইন্ড পাওয়ার ট্যালেন্ট ও ইন্টেলিজেন্ট সমস্ত দিক থেকে ইন্ডিয়ানরা এগিয়ে যাবে। আরে ইন্তেলিজেন্টস ট্যালেন্ট কখনোই আমাদের দেশে কমতি ছিল না। হাজার বছর আগেও ছিল না এখনও নেই। আর ভবিষ্যতেও থাকবে না। কেবল একটাই কমতি আছে আর সেটা হলো আমরা মালিক হবার সিক্রেটটা জানি না। যদিও অনেকেই এটাক চেষ্টাও করে না। আর যেদিন আপনিও সিক্রেটটা জেনে যাবেন।

 সেদিন সবাই আপনাকে ফলো করবে। কিন্তু এটা আপনাকে নিজেকে খুঁজে বার করতে হবে। আমাদের স্কুল ও কলেজে যা কিছু পড়ানো হয়। সেটা কেবলমাত্র চাকর তৈরি করার জন্য হয় মালিক নয়। আই নো অনেকেই আমার কথার সঙ্গে একমত হবে না আর  কিন্তু আপনি একবার নিজেই ভেবে দেখুন আপনি যায় কিছু পড়েছেন ।সেটা কি সত্যি রিয়েল লাইফে ব্যবহার করতে পেরেছেন। আপনি যে জ্ঞান এতদিনে অর্জন করেছেন। সেটা কি আপনি ব্যবহার করতে পারছেন।

 তাই এটা ভাবুন এডুকেশন সিস্টেম টা তো ভালো। কিন্তু সেটাকে আপনি ব্যবহার করতে পারছেন না। যদি আপনাকে মালিক হতে হয়। তাহলে নিজেকে অন্য ভাবে তৈরি করতে হবে। আপনাকে অন্যরকম স্বপ্ন দেখতে হবে। সেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য  জেদ তৈরি করতে হবে।

 আমি জানি  আপনি সবসময় সফল হবেন না। কারণ কেউই বারবার সফল হয়না। আপনি হেরে যাবেন। আপনি ফেল হয়ে যাবেন আপনি হতাশ হয়ে পড়বেন। আপনাকে লোক রিজেক্ট করবে। তার পরেও আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে। এগিয়ে চলার জেদ তৈরি করতে হবে। আর একটু গভীরভাবে ভেবে দেখুন আমাদের দেশে 20 কোটি লোক আছে। যেখানে ট্যালেন্ট ইন্টেলিজেন্স হোক ক্রিয়েটিভিটির কোন কমতি নেই। তারপরেও আমরা ডেভলপ কান্ট্রি তে থাকতে পারছি না। আর যদিও থাকে অনেক পিছনে আছি। আর এখন নিজেকে একটা প্রশ্ন করা জরুরি যে সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে। সমস্যাটা কি আমাদের দেশে সমস্যাটা কি আমি, আমি কি কিছু করতে পারছি না।

 তাহলে বলি আমরা পিছনে আছি কেবল একটাই কারণে আর সেটা হলো আমাদের মাইন্ডসেট সাইট। ডেভলপ কান্ট্রি লিস্ট এ আমাদের দেশকে আনার জন্য আমাদের মাইন্ডসেট কে পরিবর্তন করতে হবে। একবার ভেবে দেখুন আজ গুগল কোম্পানি কে একজন ইন্ডিয়ান পরিচালনা করছে। কিন্তু আমাদের কাছে গুগলের মত কোন কোম্পানি নেই। মাইক্রোসফটকে একজন ইন্ডিয়ান পরিচালনা করছে। অথচ আমাদের কাছে মাইক্রোসফট এর মত কোন কোম্পানি নেই। এই রকম হাজারো এক্সাম্পল আছে কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারছি না। এটা কেবল মাইন্ডসেট এর উপরে নির্ভর করে। আমরা কখনই বড় স্বপ্ন দেখিনা। আর যদি কেউ আপনাকে পরামর্শ দেয় বা নতুন কিছু শেখায় তাহলে আপনি সেখানে কোনো না কোনো প্রশ্ন তৈরি করবেন। আর সেখানে নেগেটিভ কিছু খুঁজে বার করবেন যেখানে আমরা 25 হাজার 50 হাজার টাকা স্যালারি থেকে খুশি থাকা প্লানিং করে।

 সেখানে এটা সম্ভব নয়। মাইক্রোসফট ও গুগলের মত বড় কোম্পানি তৈরি করা। তাই যদি জীবনে বড় কিছু করতে হয় তাহলে আপনার স্বপ্নকে অনেক বড় তৈরি করুন। কারণ যতটা আপনি পেতে চান তার থেকে আপনি কমন পাবেন বা হতে পারে। আপনি ততটাই পাবেন কিন্তু তার থেকে বেশি আপনি কখনোই পাবেন না। আপনিও করতে পারবেন কেবল মাইক্রোসফট গুগোল নয়। এর থেকে অনেক বড় কোম্পানির তৈরি করতে পারবেন।

 আমি জানি আপনাদের মনে হবে আমি একটু বেশি। বড় বড় কথা বলছি কিন্তু হ্যাঁ কিছু বছর পর দেখবেন এর থেকেও বড় বড় কোম্পানির তৈরি হয়ে গেছে। আর এখনই অনেকের মনে মনে অজুহাত দেওয়া শুরু করেছে। যে কি যা তা বলছেন আমাদের কাছে তো কোন নলেজ কোন রিসোর্স নেই। টাকা নেই, ট্যালেন্ট নেই, টেকনোলজি নেই, সাপোর্ট নেই, কিছু লোককে এটাও ভাবছে যে  আপনি কি জানেন। আমার জীবনের অবস্থা সম্পর্কে আর এইরকমই নানান অজুহাত। তাহলে বলি মাত্র একবার মাত্র একবার সবকিছু ভুলে স্বপ্ন দেখুন একবার নিজের লিমিটের বাইরে গিয়ে তো দেখুন। যদি আপনি চিন্তা করতে না পারেন তাহলে আপনি সফল হবেন কিভাবে। অনেক কিছু আছে যা আপনি পারবেন। 

 যখন ইলন মাস্ক কলেজে না গিয়ে নিজেই পড়াশোনা করে। রকেট সাইন্স শিখতে পারে। ইলেকট্রিক কার তৈরি করতে পারে। স্পেসের নিজের রকেট পাঠাতে পারে। অন্য গ্রহে মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করতে পারে। তাহলে আপনিও যা ভাবতে পারবেন সেটা করতেও পারবেন। কিন্তু এর জন্য আপনাকে চিন্তা করতে হবে। আরেক চাকর হওয়ার মাইন্ডসেট কে পরিবর্তন করতে হবে। অন্য কারোর জন্য কাজ করা বা কেবলমাত্র চাকরি পাবার চেয়ে নিয়ম সেটাকে পরিবর্তন করতে হবে।

 আপনি করতে পারবেন এই পৃথিবীতে আপনার নামে লোক উদাহরণ দেবে। যেমনটা আজ আমি ইলন মাস্কের দিলাম। কিন্তু তার জন্য আপনাকে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। সেটা পূর্ণ করার যে তৈরি করতে হবে অজুহাত দেওয়াকে বন্ধ করতে হবে। চাকর হবার মাইন্ডসেট কে পরিবর্তন করতে হবে। মালিক হবার মাইন্ডসেট তৈরি করতে হবে। আর আমি এমন অনেককেই দেখেছি যারা মোটিভেশনাল বই পড়ে। মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে। কিন্তু সেখান থেকেও এদের ব্রেনের একটি নেগেটিভ চিন্তা নিয়ে আসে যে বড় বড় কথা বলা অনেক সহজ। কিন্তু বাস্তবে এটা করা অনেক কঠিন। কিন্তু আজ আমি আপনাদের বলি যে আপনাকে কিছু বলবে সেটাকে শিখে আপনি কি করতে পারবেন। সেটাই আপনার ভ্যালু তৈরি করবে তাই মালিক হবার মতো করে ভাবুন।

যে আপনাকে কোথায় থেকে শিখতে হবে। আর কিভাবে সেটাকে কাজে লাগাতে হবে। আশা করি আজকের গল্পটা আপনার জীবন অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়েছে। আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ

Comments