দুনিয়াতে মানুষের কেবল দুটো বড় টেনশন, যদি এগুলো থেকে কেউ বেরিয়ে আসতে পারে তাহলে দুনিয়াতে তার ইচ্ছের কাজটি করার জন্য তাকে কেউই আটকে রাখতে পারবে না।
প্রথম টেনশন অন্যরা আমাদেরকে নিয়ে কি ভাববে এই দুশ্চিন্তা থেকে দূর করো আর দ্বিতীয় তুমি যেমনটা ভাবছো আর একজনও ঠিক তেমনটাই হবে এটা আশা করা ছেড়ে দাও।
তুমি শুধু এতটুকু করে দেখো তোমার কাজে ও তোমার মধ্যে কতটা পরিবর্তন আসে।
একজন মানুষ তার ঘোড়াকে ভীষণ ভীষণ কষ্ট দেয় ঘোড়াটি বুঝতে পারে না যে তার মালিক তাকে কেন এত কষ্ট দিচ্ছে কিন্তু রিয়েলিটির যদি দেখো তো ওই ঘোড়ার মালিক ঘোড়াটিকে যেতে চাইছে সেই একইভাবে আমাদের মালিক আমাদেরকে এখন কষ্ট দিচ্ছেহ দুঃখ দিচ্ছে দরিদ্রতা দিচ্ছে এর জন্য তুমি ঘাবড়ে যেওনা ওই মালিক আমাদেরকে যেতে চাইছে কিন্তু যদি তুমি এতোটুকু কষ্ট সহ্য না করে ছেড়ে পালিয়ে যাও তাহলে সে আর কি করবে সে কিভাবে তোমাকে যেতে হবে। আমাদের সকলের মধ্যে আছে কিন্তু যে আমাদেরকে কোথায় দেখানো উচিত।
একদিন দুই বন্ধু পড়াশোনা করে সে পরীক্ষা দিয়ে ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে গেল কিন্তু আমি কেন ফার্স্ট হতে পারলাম না এখানে আমাদের জেদ দেখাতে হবে বাবা-মা এত কষ্ট করছে ছোটবেলা থেকে সংসারে এত দরিদ্রতা দেখে আসছি পড়াশোনা শেষ করে প্রচুর টাকা উপার্জন করে ওই দরিদ্রতাকে আমি মুছে দেব। এখানে তোমাকে তোমার জেদ দেখাতে হবে।
আশেপাশের লোক আমাকে দেখে হাসে আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করে একদিন অনেক সফল হয়ে ওদের সবার মুখ বন্ধ করে দেব, এখানে আমাদের জেদ দেখাতে হবে কিন্তু তা না করে আমরা কোথায় যেতে হয় যেন বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কেউ যদি আমাদেরকে ওভারটেক করে চলে যায় তাহলে তাকে ওভারটেক করে পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে হাসবো। এরকম সত্তিকারের জেদ কোনটি যেন নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করলে পাওয়া যাবে।
জীবনের সবথেকে বড় যেতে হল এটা বাইক নিয়ে কে তোমার থেকে বেশি এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে তোমার যে দেখিও না জীবনের থেকে তোমার থেকে বেশি এগিয়ে যাচ্ছে ওখানে তুমি তোমার জেদ দেখাও।
আমাদের মনের মধ্যে যে শক্তি আছে দুনিয়াতে এর থেকে বড় কোন শক্তি নেই।

