জীবনে চলার পথে অনেক সমস্যা আসবে তাই বলে জীবন থেমে থাকবে না

S
sabus
জীবনে চলার পথে আমরা অনেক সময় অনেক রকম প্রবলেম এর সম্মুখীন হয়, আর সেই প্রবলেম থেকে কিছু মানুষ তো বেরোতে পারে আর কিছু মানুষ সারাজীবন শুধু আটকে থেকে যায়। 

আপনি কি জানেন  দুই ধরনের মানুষের মধ্যে আসল ডিফারেন্সটা কি? কি কারণে এক ধরনের মানসিক প্রবলেম ঠিক এই  সলিউশন করে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে, আর একদল মানুষ সারাজীবন সেই ছোট্ট প্রবলেমে আটকে থেকে যায়। তো এর আসল কারণটা হলো সেই প্রকারের মানুষের অ্যাটিটিউড তারা নিজেদের একটি বিশেষ অ্যাটিটিউড এর জন্যই যে কোনো প্রবলেম থাকেই চটপটে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে আর ওই ধরনের মানুষের সেই বিশেষ অ্যাটিটিউড নিয়েই থাকে।


 

একদিন কয়েকটি ব্যাং  জঙ্গলের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাচ্ছিল দলটির মধ্যে থেকে দুটি ব্যাং হঠাৎই একটি গভীর গর্তে পড়ে যায়। এটি দেখে বাকিগুলো বলতে থাকে এত বড় গর্ত থেকে উঠে আসা সম্ভব নয়। তাই সেই বন্ধুটিকে সেখানেই মারা যেতে হবে সে যাই হোক গড়তে পড়াবেন দুটি  ব্যাং গুলোর কথা উপেক্ষা করে লাফাতে থাকে যাতে তারা বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে আর তাদের এমন কার্যকলাপ দেখে ঘর তার উপরে থাকা ব্যাং বার বার বলে এরকম ভাবে লাফিয়ে কোন লাভ নেই তারা কোনোদিনও আর এই ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না।

 তাই তাদের উচিত এভাবে না লাফিয়ে স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বরণ করা  তার উপরে থাকা সংগীদের কথা শুনে গর্তের মধ্যে তাদের মধ্যে একটি লাফানো বন্ধ করে দেয় এবং মৃত্যুর জন্য রেডী হতে থাকে কিন্তু আরেকটি ব্যাংক অনবরত শুধু লাফিয়ে যায় সে তার শরীরের সব শক্তি দিয়ে প্রানপনে চেষ্টা করে আর এটি রেখে বাকিগুলো বলে বেকার বেকার এভাবে নিজেকে কষ্ট দিয়ে কোন লাভ নেই  গর্ত থেকে কখনোই বেরোতে পারবে না। তাই তার উচিত স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়া কিন্তু সেই ব্যাক্তি কারোর কথা না শুনে লাফাতে থাকে আর অবশেষে সে তার শরীরে শক্তি টুকুকে কাজে লাগিয়ে সেই গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে সফল হয়ে যায় আর তাকে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে দেখে  তার উপরে থাকা ব্যাং  বলে আমরা যে এত করে বললাম কোন কথাই কি তোমার কানে যায় না আর এটি শোনার পর সেই বলে আসলে তোমরা কি বলছিলে আমি তো কিছুই শুনতে পাইনি।


 আমি দূর থেকে না একটু কম শনি এবং মুখের বিভিন্ন ভেবেছিলাম তোমরা ���মাকে উৎসাহ দিচ্ছে লাগিয়ে চেষ্টা করতেই থাকে অপরদিকে এখনো গর্তে পড়ে থাকা হার মেনে নেওয়া শেষ এবার তাকে দেখে লাফাতে শুরু করে কিন্তু সে আর আগের মত লাফ দিতে পারছিল না কারন এতক্ষণ ধরে লাফিয়ে তার শরীর ক্লান্ত এবং শরীরে আর কোনো শক্তি নেই।

 আর এখান থেকে আমরা এটাই বুঝতে পারি আপনার বিরোধী  আপনাকে যা কিছু বলছে সেগুলো এক্ষেত্রে আপনাকে ও সব জেনে বুঝেও আপনাকে না বোঝার না শোনার ভান করতে হবে অর্থাৎ তাদের ওই কথাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে নিন আর একটা সময় পর আপনার  কর্মের অবাক হবে এবং আপনার সঙ্গে মিশতে শুরু করবে এবং হেটারদের কথা শুনে সেই ব্যক্তির মতো এগিয়ে পরবর্তীতে আবারও একবার চেষ্টা করার মতো ভুল কখনোই করবেন না কারন ততক্ষনে আপনার সমস্ত শক্তি এবং মনোবল দুটোই পূর্বের মত আর থাকবেনা।


 আর শুধুমাত্র একটি বিশেষ অ্যাটিটিউড এর কারণেই কিছু মানুষ জীবনের প্রত্যেক প্রবলেম থেকে ইজিলি  বাইরে বেরিয়ে আসতে পারো।  

Comments