কি-খেলে-সৃতি-শক্তি-ও--ব্রেন-এর--ক্ষমতা-বাড়বে-How To Increase Brain Power health

S
sabus

বন্ধুরা মস্তিষ্ক আমাদের প্রত্যেকেরই দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মস্তিষ্ককে সুস্থ এবং সবল রাখতে আমরা অনেক সময় বিভিন্ন খাবার দাবার গ্রহণ করে থাকি, এবং আমরা যদি খাবার দাবার গুলোর গুনাগুন জেনে গ্রহণ করে থাকি। তাহলে আমরা আমাদের শরীরে গুরূত্বপূর্ণ অংশটিকে সুস্থ-সবল রাখতে নিজের সুস্থ রাখতে পারব। এবং যেটা কিনা আমাদের প্রত্যেকেরই প্রতিদিন করা উচিৎ বা সর্বোচ্চ পরিমাণ চেষ্টা করা উচিত।

Source

 বন্ধুরা বর্তমান সময়ে মানুষ তার খাবারের ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন নিজেদের স্বাস্থ্যকে সুস্থ-সবল রাখতে মূলত তাদের সচেতনতা আপ এর খাদ্য তালিকায় নতুন নতুন যোগ হচ্ছে নানা ধরনের খাবার। কোন খাবার হার্টের জন্য ভালো তেল বা চর্বি নেই এমন খাবার আবার কোন খাবার ত্বকের জন্য ভালো ঠিক একইভাবে তোমার মস্তিস্কের জন্য রয়েছে কিছু খাবার যেগুলো তোমার মস্তিষ্কপ্রসূত গ্লুকোজ শর্করা সরবরাহ করবে পাশাপাশি আমার মনকে সতেজ বা ভালো রাখার কাজটি করে থাকবে ব্যাপারটা এমন যে তুমি যেমন তোমার প্রিয় খাবার দেখে খুশি হও একইভাবে তোমার মস্তিষ্কেও যখন তার প্রিয় খাবার গুলো দেখে তখন তোমার মনকে খুশি করে দেয়।

Source

 বন্ধুরা নিশ্চয় মনে করছো মস্তিষ্কের খাবার-দাবার কি গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। যে মস্তিষ্কের খাবার আসলে বিদ্যমান রয়েছে মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে এমন খাবার হলো মস্তিষ্কের খাবার। এখন আমি দশটি মস্তিষ্কের খাবার সম্পর্কে বলবো।

এক নাম্বার: বলা যেতে পারে গ্রীন টি বা সবুজ চা আমাদের মধ্যে অনেকেই কফি পছন্দ করেন আবার অনেকে চা পছন্দ করেন। উভয় প্রকার প্রাণী এই টেনশন থাকে কিন্তু গ্রীন টি বা সবুজ সবুজ চায়ে ক্যাফেইন এর পাশাপাশি এলে ফাইল রয়েছে যা মূলত তোমাদের উদ্বেগের মাতা কে কমিয়ে দেয় এটি জপাম আইন এবং আলফাবেট উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি করে যা তোমাদের উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করে ও কফির তুলনায় সবুজ চায়ের মধ্যে ক্যাফিনের পরিমাণ কম্পানি ওকে মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পানীয় হিসেবে প্রমাণ করে এবং 33 আর্টিস্টিক প্রভাব প্রদর্শন করে যাতে পাওয়া ক্যাফিনের পরিমাণ এর সাথে সর্বোত্তমভাবে কাজ করে গবেষণা থেকে জানা যায় যারা কফি পান করেন তাদের তুলনায় যারা সবুজ চা বা গ্রিন টি পান করে তারা বেশি স্থিতিশীল এবং উৎপাদনশীল সুতরাং তুমি যদি মস্তিষ্কের খাবার খুঁজতে থাকো যা তোমার উৎপাদনশীলতা কে উন্নত করবে তাহলে সবুজ চা বা গ্রিন টি তোমার মস্তিস্কের তালিকায় সবার প্রথমে থাকবে।

দুই নাম্বারে: বলা যেতে পারে ব্লুবেরি ব্লুবেরি প্রকৃতির অন্যতম সেরা উপাদান একে বলা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের রাজা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে কোন ব্যক্তি যদি নিয়মিত 12 সপ্তাহ ধরে ব্লু বেরি জুস পান করে তাহলে তার স্মৃতিশক্তি পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে কিন্তু অতিরিক্ত ব্লুবেরি খাওয়াও আমাদের সকলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে চেষ্টা করো দিনে 150 গ্রামের বেশি ব্লুবেরি না খেতেও এর চেয়ে বেশি গ্রহণ করলে তা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখাবে।

 তিন নম্বরে: রয়েছে কমলা বা অরেন্স কমলাকে ভিটামিন সি এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি একটা বড় কমলা আমাদের সকলের ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করার জন্য যথেষ্ট এর অনেক সুবিধা রয়েছে ভিটামিন সি হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এটি উচ্চ রক্ত চাপের বিরুদ্ধে লড়াই সাহায্য করে সাদা রক্ত কোষ উৎপাদন বৃদ্ধি করে ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে সর্বাধিক গুরুত্ব পূর্ণ হল ভিটামিন-সি আমাদের সকলের স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তা শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

 চার নাম্বারে: রয়েছে ব্রোকলিঃ ব্রোকলিঃ আমরা যেকোনোভাবেই খেতে পারি আমরা এটিকে চালের রোস্ট করতে পারি আবার সিদ্ধ করে খেতে পারি এতে এর গুনাগুন নষ্ট হয়না ব্রোকলিঃ সর্বক্ষেত্রেই আমাদের সকলের মস্তিষ্কে প্রখর থেকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

 পাঁচ নাম্বারে: বলা যেতে পারে ওয়ালাদ আখরোট বাদামের মত উপকারী, তবে অন্যান্য গুলো থেকে এর মূল পার্থক্য হলো এতে ওমেগা 3 ফ্যাটি এসিড রয়েছে। আমাদের হৃদরোগের সমাধান করার পাশাপাশি এই উপাদানটি আমাদের স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক বিশেষ করে পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি অধিক কার্যকর একইসাথে আখরোটে ভিটামিন-ই উপস্থিত যা আমাদের স্মৃতি বা মেমোরি কার্ড নষ্ট হওয়ার মাত্রা কি রাশি করে।

 ছয় নম্বরে: রয়েছে স্ট্রবেরি স্ট্রবেরি ফলের মস্তিষ্কের জন্য অনেক উপকারী। এতে ক্ষয় হতে থাকা স্মৃতি কোষ বা মেমোরি স্তরের ক্ষয় হওয়ার মাথাকে রাস করে। পাশাপাশি এটি অ্যাজমা রোগ প্রতিরোধ করতে পারেন এছাড়াও স্ট্রবেরীতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা মস্তিষ্কের সহ সারা শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। গবেষণায় বলে যে প্রতিদিন যদি কমপক্ষে আট স্ট্রবেরি খাওয়া হয় তাহলে মস্তিষ্কের বিকাশ অনেক বেশি হয়।

 সাত নাম্বারে: বলা যেতে পারে জাল বা এটি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি সিক্স বিনায়, এবং আয়োজন রয়েছে। এটি ভাতের সাথে সবচেয়ে ভালো সময় তৈরি করেন যা মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী পাশাপাশি এটি ব্রেইন বা মস্তিষ্ক কর্ম ক্ষমতা আবৃতি করে।

 আট নাম্বারে: আছে নারকেল তেল, নারিকেল তেলের অনেক গুণ আছে। এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন কেউ ত্বকের যত্ন নিতে কেউ গোসল করার সময় কেউ খাবার তেল হিসেবে এটি ব্যবহার করে থাকেন। তবে দেখা গেছে যে যখন নারিকেল তেল খাওয়া হয় বা মৌখিক ভাবে ব্যবহার করা হয়। তখনই কার্যকরিতা সবচাইতে বেশি ইসমাইল রোগ আছে। এমন ব্যক্তিদের ওপর এ গবেষণা করে দেখা গেছে নারিকেল তেল ব্যবহার করে এসমা রোগের তীব্রতা কমানো সম্ভব।

 নয় নম্বরে: বলা যেতে পারে ভোগান্তির কথা সালাতের উপাদান হিসেবে খুবই জনপ্রিয় এটি কার্যকর চর্বির অন্যতম উৎস এতে মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে যার ফলে মস্তিষ্কের সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন। আমরা যদি প্রতিদিন 1 থেকে 2 টি এবং একজন নিজেদের খাবারের সাথে গ্রহণ করি তাহলে আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা সুপারহিরোদের মস্তিষ্কের মত কাজ করবে। ডায়েট করতে চাও তাদের জন্য অ্যাভোকাডো খাদ্যতালিকায় অন্যতম প্রধান খাবার ও হতে পারে।

 দশ নাম্বারে: রয়েছে শাক জাতীয় খাবার আমরা হয়তো অনেকেই সাইলোর ম্যান কার্টুন দেখেছি সেখানেই খাবার দেখে শক্তিশালী হত সেটিও কিন্তু যে আমাদের শুধু শক্তিশালী কর��ে তাই নয় আমাদের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক কেউ চিন্তা বা স্মৃতি শক্তির দিক থেকে শক্তিশালী করবে প্রত্যেক জাতীয় শাক খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন খনিজ পদার্থ মিলারের নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। বিশেষ করে সবুজ শাকের পুষ্টি উপাদানের মাধ্যমে বেশি এই উপাদানগুলো আমাদের মস্তিষ্কের রক্তসঞ্চালন করার পাশাপাশি শর্করার চাহিদাও মিলাদের সাহায্য করে। যার ফলে আর আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।

 বন্ধুরা শেষ কথাটি বলবো যে এই তালিকায় যেসব খাবার সম্পর্কে বলা হয়েছে সেগুলো কোন না কোন ভাবে আমাদের সকলের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পাশাপাশি নানা ধরনের দুশ্চিন্তা ও উদ্যোগের সময় মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে তাই আমরা যেই তালিকা থেকে কোন খাবার পছন্দ করে গ্রহণ করতে পারি।

 

 যেসব খাবার খেলে মস্তিস্ক ভালো থাকবে আমাদের সেগুলো খাওয়া খুবই দরকার তাই আমরা মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য যেসব খাবার দরকার সেগুলো খাব।

Comments