শুধু তোমায় পেয়ে গেলে!

R
robin360

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

পুরো একটা জীবন লিখে দিতাম তোমার নামে,

মনের সব অনুভুতি তোমার ঠিকানায় পৌঁছে দিতাম নীল খামে।

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

অবাধ্য এই আমি টা হয়ে উঠতাম শান্তিপ্রিয়;

ভালোবাসি কতটুকু তা চোখের ভাষায় বুঝে নিও।

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

ভেঙে যাওয়া সব টুকরো স্বপ্ন জুড়ে নিতাম নিমিষেই;

জীবনের সব চড়াই-উতরাই পারি দিতাম অনায়াসেই। 

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

বোকাসোকা আমিটাও হয়ে উঠতাম সাহসী

ভালোবাসার বেলায় যে আমি বড্ড বেহিসেবী। 

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

তোমার সকল খুশিদের দায়িত্ব নিবো অকপটে;

তুমি বিহীন কিচ্ছু নেই;

কেউ নেই আমার এই হৃদয়পটে।

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

নৈশব্দের বিষন্ন দুপুরটাও হয়ে যেতো রোমাঞ্চকর ;

আপন প্রাণে নিতাম বেঁধে তোমায়;

করে সব মোহ মায়াকে পর।

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

আমি তুমি মিলে সাজাতাম আমাদের গল্প;

সাধারণের দিনাতিপাতে চাওয়াগুলো না হয় থাকতো অল্প।

 

শুধু তোমায় পেয়ে গেলে,

মুহুর্তের মধ্যেই যাবতীয় দুঃখ-কষ্টের ঘটাতাম ইতি;

আর সব না পাওয়াদের বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বলতাম

আমি পেয়ে গেছি আমার পৃথিবী।

সুখ দুঃখ ভাই ভাই 

     

 

দুঃখকে কিসের ভয়

দুঃখ ছাড়া কি মানুষ হয়।

দুঃখই মানুষকে সুখসন্ধানী 

করে তোলে

সুখ দুঃখ ভাই ভাই,

কেউ ছাড়া কেউ নাই।

দুঃখকে চিরসাথী করেই

চলতে হবে মৃত্যু অবধি 

কারণে অকারণে

দুঃখ প্রকাশ নয়, 

দুঃখকে করতে হয় জয়

দুঃখ ছাড়া এমন মানুষ মানুষ নয়।

প্রজাপতির মতো উড়ো

দুঃখ যাও ভুলে, 

হাসো প্রাণ খুলে 

আপন আপন কূলে 

নিষ্পাপ শিশু যেমন হাসে, 

মাকে ভালোবাসে, 

তেমন করে হাসো

যতোদিন এই পৃথিবীতে বাঁচো 

দুঃখ যাও ভুলে চলো হেলেদুলে 

প্রতিটি প্রাণীর আছে দুঃখ 

সারা বছর মৌমাছির দল

কষ্ট করে মধু আহরণ করে। 

সময় মতো মৌচাক কেটে

মধু মানুষ আনে ঘরে

কতো দুঃখ মৌমাছির দল সব হারিয়ে করে

ভেবে চিন্তে দেখো মানুষ ওরে।

 

 

❝রিলেশনের আগের যে সময়টাতে প্রিয় মানুষটাকে চেনা উচিৎ, সে সময়টাতেই প্রিয়জনকে আমরা নিজেদের পিছনে ঘোরাতে পছন্দ করি!

তাহলে আর মানুষ চিনবো কিভাবে!?

মানুষ চিনতে পারিনা বলেই শত ভালোবাসার পরও বিচ্ছেদ ঘটে।

 

পক্ষান্তরে উক্ত সময়টাতে প্রিয় মানুষের সাথে মিশুন, তারপর চিনতে শুরু করুন সে কেমন।

ভালো হলে গ্রহণ করুন আর খারাপ হলে শোধরানোর চেষ্টা 

 

★★★হীনমন্যতা আমাদের দুঃখ বা কষ্ট দেয়★★★

 

আমরা অনেকেই এই ভেবে কষ্ট পাই যে আমি কালো, আমি বেটে, আমার নাক চ্যাপ্টা, চোখ দুটি ভিতরে ঢুকানো, আমি বেশি মোটা, আমি লেখাপড়া করতে পারিনি, আমার ভালো উচ্চতর ডিগ্রি নেই, আমার ভালো পদ মর্যাদা নেই, আমি গরিব আমার বংশ মর্যাদা ভাল নয়, আমি নিম্নতর পেশায় নিযুক্ত ইত্যাদি। একথা ধ্রুব সত্য যে সবকিছু নশ্বর। কিছুই স্থায়ী নয়। সবকিছু দিনদিন নষ্ট হচ্ছে। সবার পরিণতি এক অভিন্ন তা হচ্ছে বাধ্যক্য ও মৃত্যু। অল্পবয়স্ক ছেলে মেয়েরা বেশি কষ্ট পায় এ ভেবে যে আমি লম্বা, হালকা-পাতলা ও সুন্দর বা সুন্দরী নয়। Beauty is nothing but skin deep. অর্থাৎ চামড়া যতটুকু ততটুকুই সুন্দর। তার ভেতরে গেলে অশুচি, নোংরা পদার্থ আমাদের শরীরে অবস্থান করছে। সেগুলো শরীর হতে বের হলে নিজেকে অপবিত্র মনে হয়। যেমন একজন ছেলে যদি কোন মেয়েকে বলে যে আমি তোমাকে ভালোবাসি। এ সময় মেয়েটি ঐ ছেলেটিকে যদি বলে আমি তোমাকে পরীক্ষা করব। ছেলেটি নিশ্চয়ই পরীক্ষা দিতে রাজি হবে। তখন মেয়েটি ছেলেটিকে এরূপ বলবে সে নিশ্চয়ই রাজি হবে না। আর সে কথাটি হচ্ছে এখানে কফ ফেললাম। দেখি তুমি আমার কফ খাও।অতএব বুঝা যাচ্ছে সামনের প্রতি যে লোভ বা আসক্তি তাই হচ্ছে নারী- পুরুষের কাছে সৌন্দর্য এবং ভালোবাসা। নারী-পুরুষের ভালোবাসায় পছন্দ-অপছন্দ আছে। এর প্রধান কারণ দেহের প্রতি আসক্তি। অনেকেই ভালোবাসার সঠিক সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে পারেনি। তারা যে ভালোবাসা দেখাতে চায় তা হচ্ছে নারীর প্রতি পুরুষের এবং পুরুষের প্রতি নারীর আসক্তি এবং একে অপরকে ভোগ করার উন্মাদনা। এখানে স্বার্থ আছে। অতএব এ সত্যিকারের ভালোবাসা নয়। দেহের প্রতি লোভ বা আসক্তি। সত্তিকারের ভালোবাসায় পছন্দ-অপছন্দ নেই। সত্যি কারের ভালোবাসা হচ্ছে সকল প্রাণীর জীবনকে নিজের জীবনের মত করে দেখা। সকল প্রাণীর প্রাণকে শ্রদ্ধা করা। সকল প্রাণীর প্রতি মৈত্রী, করুণা, প্রদর্শন করা। সর্বোপরি সকল প্রাণীর প্রাণকে সমান দৃষ্টিতে রাখা। মন সব বিষয় হতে মুক্ত থাকলে কষ্ট দূর হয়। যেমন আমি যে সুন্দরী হইনি, তাতে দুঃখ করার কিছুই নেই। সৌন্দর্য চিরস্থায়ী নয়। বরং একসময় তা হারিয়ে যাবে। চামড়া খুচকিয়ে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাতে পরিণত হবে। যেগুলো পরিবর্তন করা যাবে না। তাতে মনঃসংযোগ বা মন না দেয়াই ভাল। মন দিলে কষ্ট উৎপন্ন হয়। মন না দিয়ে অপেক্ষা ভাব জাগালে কষ্ট দূর হয়। অথবা বিদর্শন ভাবনায় নিয়োজিত হয়ে স্মৃতি করলে তা দূরীভূত হয়।

 

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।

সকল প্রাণী দুঃখ হইতে মুক্তি লাভ করুক।

সবার হৃদয়ে বুদ্ধের কেন উৎপন্ন হউক।

আমার,দ্বিতীয় মেয়ে শীলার জন্ম,আমেরিকায়।।

জন্ম এবং মৃত্যুর সব গল্পই নাটকিয়,তবে শীলার জন্ম -- মূহুর্তে যে নাটক হয়,তাতে আমার বড় ভূমিকা আছে বলে আমার বলতে ইচ্ছে করছে।

           "১৫ জানুয়ারি"।।

প্রচন্ড শীত পরেছে।।।বরফে,বরফে সমস্ত ফার্গো

শহর ঢাকা পরে গেছে।।শেষ রাত থেকে নতুন করে তুষার পাত শুরু হল।সকাল বেলা আরাম করে ঘুমোচ্ছি।।তখন গুলতেকিন আমাকে ডেকে তুলে ফ্যেকাশে মুখে বলল,আমার যেন কেমন লাগছে।।

         আমি বললাম ঠিক হয়ে যাবে।।

  সে ভয় পাওয়া গলায় বলল,তুমি বুঝতে পারছ না।।

আমি শুকনো গলায় বললাম,ব্যাথা কি খুব বেশি?

:না বেশি না কম,তবে ব্যাথাটা ঢেউয়ের মত আসে,

আবার চলে যায়,আবার আসে।।এখন ব্যাথা নাই।

: তাহলে তুমি রান্না ঘরে চলে যাও,চা বানাও---- চা খেতে খেতে চিন্তা করি।।বড় মেয়ে নোভা কে সামলাবো কি ভাবে? এই দিন গুলিতে।।

নোভাকে ফরিদের কাছে রেখে আমি গুুলতেকিন কে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা হলাম।।

 

নার্স এসে দেখেশুনে বলল,এক্ষুনি ডেলিভারী হবে

চল-- ও টি'তে যাই।।গুলতেকিনের চিকিৎসকের নাম ডাঃ মেলয়।।ডেলিভারী তিনিই করবেন।

হাসপাতাল থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হল।

তিনি বললেন,এক মিনিটের মধ্যে রওনা হচ্ছি।।

আমি পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হয়ে যখন সিগাড়েট ধরিয়েছি তখন হাস। 

Comments

sereybd

অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি  থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।

Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)