পর্বঃ২
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।আপনাদের সাথে কালকে বিঞ্জানী আলবার্ট আইনস্টাইন এর জীবন সম্পর্কে কিছু অজানা গল্প বলেছিলাম।আশা করি সবার কালকের গল্পটা ভালো লেগেছে।আজকেউ আপনাদের সাথে আলবার্ট আইনস্টাইন এর জীবনের কিছু অজানা গল্প বলবো আশা করি সবাই অনেক নতুন কিছু জানতে পারবেন।নিজের কাজ করার ইচ্ছা শক্তি অনেক বেড়ে যাবে।পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করছি।
বিঞ্জানী আলবার্ট আইনস্টাইন
প্রথম পর্ব যে পর্যন্ত বলেছিলাম তার পর থেকে শুরু করছি।বিঞ্জানী আলবার্ট আইনস্টাইন ছোটবেলা থেকেই অনেক চিন্তাশীল ছিল।শিক্ষক কোন প্রশ্ন করলে সে অনেক ভেবে চিন্তা করে উত্তর দিত।অন্যদের মতো হঠাৎ কোনো কিছু বলতো না।কথা বলার সময় কিছু কথা মুখে আটকেউ যেত তার।সহপাঠীদের কাছেও তাকে অনেক উপহাস শুনতে হয়েছিল।যে যাই বলোক চুপচাপ এই ছেলেটি সব কিছুতে বেশ কৌতুহলী।একবার তার বাবা তাকে একটা কম্পাস কিনে দিল।সে সব সময় কম্পাসটা তার হাতের কাচে রাখতো।একবার তার মনে প্রশ্ন জাগলো কম্পাস শুধু একদিকে ঘুরে কেন?এটিকে অন্যদিকে ফিরানো যায় না কেন?এবার এই ঘটনার কারণ তার বাবার কাছে জানতে চাইলেন।তার বাবা তাকে কম্পাসের একদিকে ঘুরার বিষয় টি ব্যাখা করলেন।
আলবার্ট আইনস্টাইন বিশ বছর বয়সে একটা নিবন্ধন লিখে,সে লিখে সে সবার নজর পেয়ে যায়।আলবার্ট আইনস্টাইন আলো নিয়ে অনেক ভাবনা ছিল।ক্লাসে বসে সূর্যের আলো,বাড়িতে বসে লাম্পের আলো নিয়ে বড়দের কাছে জানতে গিয়ে তার অনেক বকা শুনতে হয়েছে জীবনে।স্কুলের বাধা ধরা পড়াশোনা তার ভালো লাগতো না।একদিন ক্লাসের লাস্ট বাস্নে বসে সূর্যের আলো জানালার কাঁচ ভেদ করে ক্লাসের ভেতর আসছে দেখে এর কারণ বুঝতে ভাবনায় পড়ে গেলেন কিশোর আইনস্টাইন এসময় শিক্ষক তাকে পড়া জিজ্ঞেস করলেন।কিন্তু তিনি ক্লাসে অমনোযোগী থাকায় উত্তর দিতে পারলো না।এতে ক্ষিপ্ত হলেন শিক্ষক। শাস্তি হিসেবে তাকে হল রুমে গিয়ে বসতে বললেন শিক্ষক। তার বিভিন্ন ধরনের গভীর ভাবনাই ছিল তার গবেষনা।তিনি আপেক্ষিক তত্ব এর জন্য পুরো পৃথিবীতে বিখ্যাত হয়েছিলেন।আশা করি সবাই গল্পটি মনেযোগ সহকারে পড়েছেন।গল্পটি পড়ে আপনারা নিশ্চয়ই অনেক কিছু জানতে পেরেছেন।আমি যত টুকু জানতাম আইনস্টাইন সম্পর্কে সব টুকুই আপনাদের বললাম।সবাইকে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

