পর্বঃ২
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।কালকে মেসুত ওজিল সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেছি।আজকে মেসুত ওজিলের ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছেনরে গল্প শেয়ার করবো।মুসলিম খেলোয়াড় হিসেবে মেসুত ওজিলকে চেনেন না এমন মানুষ খুজে পাওয়াই সম্ভব না।মেসুত ওজিল সম্পর্কে জানতে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
মেসুত ওজিল এর অজানা গল্প
প্রথম পর্বের পর থেকে বলা হচ্ছে,ওজিল তার সিনিয়র ক্যারিয়ার শুরু করে ২০০৫ সালে জার্মানীর একটা ক্লাবে যুব দলে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে।তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।সেখানে তিনি খেলেন একজন মিডফিল্ডার হিসেবে।কিন্তু ক্লাব কর্তপক্ষের সাথে বনিমনা না হওয়ায় ২০০৮ সালে তিনি ওই ক্লাব ছেড়ে যোগ দেন অন্য একটা জার্মানীর ক্লাবে।২০০৯ সালে ওই ক্লাবকে ইউফা কাপে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।এই সিজনে তিনি ৩ টি গোল করে এবং ১৫ টি গোলে এসিস্ট করে তার অসামান্য প্রতিভার সাক্ষর রাখেন।নরওয়ে বিপক্ষে এক প্রতি ম্যাচ খেলে জার্মানীর জাতীয় দলে অভিষেক হয় ওজিল এর। তার পর আর ফিরে তাকাতে হয় নি এসিস্ট কিং ওজিল কে।২০০৯ সালে ইউয়োফ চ্যাপিয়ন লীগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।এর পর ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলের দৃষ্টিতে আসেন।ফলে ফিফা তাকে গোল্ডেন বল এওয়্যাড এর জন্য মনোনিত করে।
বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স এ সন্তুষ্ট হয়ে ইউরোপিয় জায়েন্ট রিয়াল মাদ্রিদ তাকে বিশাল অংকের বিনিময়ে তাকে দলে নিয়ে আসে।বিয়াল মাদ্রিদ ও ওজিল তিনটি দুর্দান্ত সিজন পার করে।২০১১ সালে ইউরোপিয়ান ও ডমিস্টিক কম্পিটেশন এ ওজিল সব মিলিয়ে ২৫ গোল এসিস্ট করে একক ভাবে প্রথম স্থান দখল করে। তিনি ২০১২ উয়োফো ইউরোপিয়ান লীগে ৩ টি গোলে সহায়তা করেন।যা ছিল টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ।২০১৩ সালে ইংরেজ ক্লাব আর্সেনাল তাকে ক্লাব রেকড ৪২.৫ মিলিয়ন ইউরো এর মাধ্যমে ওজিলের সাথে যুক্তি বদ্ধ হয়।ফলে তিনি জার্মানীর সর্ব কালের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় এ পরিণত হন।আর্সেনাল এর হয়ে ও দারুন খেলেন ওজিল।আজকের পর্ব এই পর্যন্তই।পুরো পর্ব মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

