বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।আজকে জীবন যুদ্ধে হার না মানা ফুটবলার লুকাকুর জীবন সম্পর্কে আলোচনা করবো।ফুটবল বিশ্বে লুকাকু কে চেনেন না এমন মানুষ সত্যিই খুঁজে পাওয়া সম্ভব না।ফিফা রেকিং এর ১ নাম্বার অবস্থান থাকা বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড খেলোয়াড় লুকাকু।যারা ফুটবলপ্রেমী লুকাকুর জীবন এর অজানা গল্প জানতে চান, তারা সকলেই মনোযোগ সহকারে গল্পটি পড়বেন।
লুকাকু একটা অনুষ্ঠানে বলেছিলেন,ভেঙে যাওয়ার সময়টা খেয়াল আছে আমার।আমাদের ভেঙে যাওয়া,ক্ষয়ে যাওয়া।মা ফ্রিজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,গোটা দৃশ্যটি আমার পরিস্কার মনে আছে।চোখের সামনে ভাসছে।তখন আমার ছয় বছর বয়স।স্কুল ব্রেকের সময় সাধারনত বাড়িতে খাবার জন্য ফিরতাম।প্রতিদিন,একদম প্রতিদিন মেন্যুতে একই খাবার,পাউরুটি,দুধ।আসলে ঐ বয়সে খাবার নিয়ে কেউ চিন্তা করেনা।মা যা দেয় বাচ্চারা তাই খেয়ে ফেলে।তারপরও জানতাম ওর চাইতে বেশি কিছু আমাদের সামর্থ্যের মধ্যেই ছিল না।প্রতিদিনের মতো দুপুরে বাড়ি ফিরে সোজা ঢুকে গেলাম কিচেনে। মা দুধে পানি মিশিয়ে দুধ আর পাউরুটি এনে আমার কাছে এনে রাখলেন।গোটা সপ্তাহ চলার জন্য আমাদের হাতে টাকা ছিলোনা।আমার ক্ষয়ে যাচ্ছিলাম,শুধু গরীব না,আমরা মাটিতে মিশে যাচ্ছিলাম।
লুকাকুর বাবা ছিলেন একজন পেশাদার ফুটবলার ছিলেন।ক্যারিয়ারের শেষপ্রান্তে, খেলাও নেই টাকা ও শেষ।এর প্রথম ধাক্কা টা গেলো তাদের টিভির ওপর।এরপর বাড়ির ইলেকট্রিসিটি।এমন ও সময় গেছে তার মা বাকিতে পাউরুটি আনতেন।তারা জানতেন তাদের খুব একটা বিশ্রী সময় পার করছি,নিয়মিত যুদ্ধ করে তারা বেঁচে আছি।ফুটবল নিয়ে যারা কথা বলে তারা খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে।তাহলে আপনাদের দেখা ফুটবলারদের মধ্যে লুকাকু কঠিন মানসিক সামর্থ্যের মানুষ।লুকাকুর জীবন টা অনেক কষ্টের।আজকের গল্প এখানেই শেষ। পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

