বস্তির ছেলে থেকে কিভাবে বিশ্বের ফুটবল সেরা তারকা হলেন মেসি

R
rizoan

পর্বঃ৩

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।গল্পটি আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য গল্পটি পর্ব আকারে লেখা হয়েছে। মেসি সম্পর্কে অজানা তথ্য গুলো জানতে হলে আপনাদের পুরো গল্পটা পড়তে হবে। সকলকেই পুরো গল্পটা পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। 

 

লিওলেন মেসি

 

দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে শুরু করা হচ্ছে, মাঝে অনন্য হবে যে ইংরেজিতে স্ট্যান্ড আউট বলা হয় কাকে বোকা যুনিয়রস থেকে শুরু করে অন্যান্য বড় বড় আর্জেন্টাইন ক্লাব ঘুরে শেখ হস্তিনী পাচ্ছিলেন না। নিউ ওয়েলস ছোট একটি ক্লাবে বসেই সে তার মনের মত খেলোয়াড় খুঁজে পেলেন। সরাসরি চলে গেলেন ম্যাচের বাবা-মার কাছে এবং তার বাবা-মাকে মেসির উন্নত ভবিষ্যতের জন্য বার্সেলোনা ক্লাবের জুনিয়র দলে খেলার জন্য অনুরোধ করলেন। মেসির বাবা-মার জবাব ছিল এমন যে মেসি আর বড় হবে না কারলোস লেক্সাস যেন আকাশ থেকে পড়লেন, ওরে মেসি খুলে বললেন মেসির একটা বিশাল বড় সমস্যা আছে সম্ভব না। 

 

তার গ্রোথ হর্মনে বিরাট একটি ঘাটতি আছে যার কারনে তার আর বৃদ্ধি সম্ভব না সে সব সময় ছোট থাকবেন এমনই বলেছিলেন ডাক্তাররা। মেসির বাবা-মা তার জন্য ডাক্তার দেখিয়েছেন কিন্তু এই মধ্য নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য তার ছেলেকে চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি এটি জানালেন কার্লোস কে। নিম্নবিত্ত পরিবারের কাছে প্রতিমাসে শ শ ডলার খরচ করে মেসির চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না। এসব কিছু জেনে হতাশ হলেন কার্লোস তিনি ভাবলেন কিভাবে এই খেলোয়ারকে দলে ফেরানো যায়। এবারের মত ফিরে গেলেন তিনি বার্সেলোনায় সাথে নিয়ে গেলেন ছোট্ট মেসির পায়ের জাদুর স্মৃতি।শুধু ফিরলেনই না,বার্সা বোর্ডকে রাজিও করালেন তার চিকিৎসা করানোর জন্য। মেসির বাবা-মা সহ মেসিকে নিয়ে আসা হলো পুরো ফ্যামিলি সহ ক্লাবে খেলার জন্য এবং মেসির গ্রোথ হরমোনের চিকিৎসা করানোর জন্য রাজি হলেন বাসা ক্লাব। সময়ের সাথে সাথে নিজেকে গড়ে তোলা মেশিন ২০০০ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনা যুব একাডেমির এবং কাদতে এ কাদতে বি দলে খেলেছেন। আজকের গল্প এখানেই শেষ করা হচ্ছে,সকলকে পুরো গল্প টা পড়ার জন্য অসংখ্য ���ন্যবাদ।

Comments

piya3
ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টা যদি কারো থাকে তাহলে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা তার সঙ্গ দিয়ে থাকে। তাই এ শ্রেণীর লোকদের সফলতা দমিয়ে রাখার মতো ক্ষমতা পৃথিবীর কোন মানুষের মধ্যে নাই। তার বাস্তব প্রমাণ এই মেসি যে বর্তমানে পৃথিবীর বিশ্ব বিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সকলের সামনে পরিচিত।