বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।ফুটবল প্রেমীদের অতি পরিচিত বেলজিয়ামের খেলোয়াড় লুকাকু কে চেনেন না এমন মানুষ সত্যিই খুঁজে পাওয়া যাবে না।কয়েকদিন যাবত জীবন সংগ্রামে জয়ী লুকাকুর জীবনের গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।আশা করি লুকাকুর জীবন সংগ্রামের গল্প সকলের ভালো লেগেছে।
আন্দেরলেখটের সাথে লুকাকু প্রফেশনাল কন্ট্যাক্ট সাইন কটে তার জন্মদিনে ১৩ ই মে।সাইন করে ফিফা আর টেলিভিশনের ক্যাবল প্যাকেজ কিনে সোজা বাড়ি।ততদিনে ফুটবল সীজন শেষ।বাড়িতে বসে সে অনেক আনন্দ করেছে।বেলজিয়ান লীগের অবস্থা খুব উড়াধুরা ধরণের।আন্দেরলেখট আর স্ট্যান্ডার্ড লিগ সিজন শেষ করেছে সমান পয়েন্ট নিয়ে।দুই লীগের প্লে অফ হবে কে চ্যাম্পিয়ন তা ঠিক করার জন্য। প্রথম লীগে লুকাকু শুধু ফ্যান ছিল।সেকেন্ড লীগে আগের দিন কোচের ফোন পায় লুকাকু।কোচ তাকে বললো তোকে এক্ষুনি স্টেডিয়ামে আসতে হবে ফাস্ট টীম তোকে চাচ্ছে।ফোন রেখে বাবার রুনে যায় লুকাকু।বলে উঠে পড়ো বাবা আমাদের যেতে হবে।
স্টেডিয়ামে ঢুকে সে মোটামোটু দৌড়েই ড্রেসিংরুমে ঢুকে গেল।একজন জিঞ্জাসা করলো কত নাম্বার জার্সি টা চাস,লুকাকু বললো ১০ নাম্বারটা দেন।লোকটি বললো অ্যাকাডেমীর প্লেয়ারদের ৩০ উপরে নাম্বার নিতে হয়ে।তাহলে সে ৩৬ নাম্বার জার্সি দেয়।বাসে করে তারা স্টেডিয়ামে গেল।প্রতিটা খেলোয়াড়দের গায়ে ক্যুল স্যুট।ধীরস্থির হেঁটে ঢুকছে সবাই।তার গায়ে এক উৎকট ট্র্যাকশ্যুট চাপানো।টিভি ক্যামেরা সব যেন তার মুখের উপরে রাখা।লকার রুমে ডুকা মাত্র তার মোবাইলটা বার বার বেজে উঠলো।তিন মিনিটে প্রায় ২৫ টা এস এম এস এসেছে।তার বন্ধুরা টিভিতে দেখে তাকে এসএমএস করেছে।৬৩ মিনিটের সময় ম্যানেজার তাকে মাঠে নামার জন্য জানালো।আন্দেরলেখটের হয়ে মাঠে নেমে গেল।তখন তার বয়স ছিল তখন ১৬ বছর ১১ দিন।সেই ফাইনালে লুকাকুর আন্দেরলেখট হারলে তার জীবনের এটা সেরা মুহুর্ত ছিল।পুরো গল্প পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

