বস্তির ছেলে থেকে কিভাবে বিশ্বের ফুটবল সেরা তারকা হলেন মেসি

R
rizoan

পর্বঃ২

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে লিওনেল মেসি সম্পর্কে দ্বিতীয় পর্ব আলোকপাত করবো। যাতে আপনারা সম্পূর্ণ গল্পটি ভালো করে বুঝতে পারেন লিওনেল মেসি কিভাবে এত বড় তারকা হলো তার অজানা গল্প গুলো জানতে পারবেন সকলকেই প্রকল্প টি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

লিওলেন মেসি

 

প্রথম পর্বের পর থেকে শুরু করা হচ্ছে, মেশিন বড় দুই ভাই এবং এক ছোট বোন রয়েছে বড় দুই ভাইয়ের নাম রাজেন্দ্র, মাতিয়াস এবং ছোট বোনের নাম মারিয়া সং।পাঁচ বছর বয়সে মাসিক স্থানীয় ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলা শুরু করে। যার করছিলেন মেসির বাবা নিজেই। ওই মাঠের সবচেয়ে ছোট খেলোয়াড় ছিল মেডি তিনি তার থেকে বড় খেলোয়াড়দের সাথে প্রতিটি ম্যাচ খেলতে কিন্তু তাদেরকে সব সময় পাশ কাটিয়ে তার নামের পাতায় গোল গোল চোখ করে যেত। তার কল দেওয়ার ধরন ছিল দুর্দান্ত যা সবাইকে মনমুগ্ধকর করে ফেলত এজন্যই তার খুবই ছোট বয়সে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল লিওলেন মেসি। দর্শকরা মনে করত পল্টা হয়তো মেসির পায়ের চুম্বক দিয়ে লাগানো আছে যার কারণে বলটা পা থেকে সরছে না। একটু পর বড় বড় খেলোয়াড়রাও হাল ছেড়ে দিলো কিন্তু ছোট ছেলেটা সবাইকে পাশ কাটিয়ে পরবর্তীতে গোল দিতে লাগলো। 

 

ছোট বয়সে মেসির খেলা পরিদর্শন করেছিলেন বার্সেলোনার সাবেক খেলোয়াড় তবে সে সময় তার কাজ ছিল দেশ বিদেশে ঘুরে ঘুরে বার্সার বিখ্যাত একাডেমির জন্য প্রতিভাবান ফুটবলার খুঁজে বের করা। এই চাকরির জন্য হয়তো কার্লোস অনেক প্রতিভা আবিষ্কার করেছিলেন জীবনে। তবে ম্যাচের খেলা দেখে সেদিন তিনি যা প্রতিভা দেখলেন তার কাছে তখন অসম্ভব ও অকল্পনীয় মনে হল। যাই হোক সেদিনের সেই দুর্বল ছেলেটাই আজ বিশ্বের সর্ব বিখ্যাত খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। কার্লোস এসেছিলেন আর্জেন্টিনায় প্রতিভাবান খেলার খুঁজতে কিন্তু সেবার আর্জেন্টিনার খেলা দেখে তার মন ভরছিল না। যখন তিনি ম্যাচের খেলা দেখতে পেলেন তার মন ভরে গেল এবং তিনি মেসিকে তার নিজের দলে ফেরানোর জন্য চেষ্টা করতে লাগলেন। আজকের পর্ব এখানেই শেষ করা হচ্ছে। পুরো পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Comments