পর্বঃ১
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে রেলগাড়ি আবিস্কারের মজার গল্প শেয়ার করবো।রেলগাড়ী চেনেন না এমন মানুষ খুজে পাওয়া কখোনো সম্ভব না। সবাই কম বেশি রেল গাড়িতে উঠেছেন।কিন্তু আপনারা কি জানেন এই রেল গাড়ি কবে ও কিভাবে তৈরি হলো।এসকল কিছুই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।সকলকেই পুরো গল্প টা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
নিকোলাস কুনো
বিঞ্জানের বিভিন্ন আবিস্কারের এর পেছেন রয়েছে বিঞ্জানীর নিরলস পরিশ্রম আর বেশ বেশ মজার কাহিনী।আর এসব মজার মজার কাহিনী করে তার সৃষ্টি করেছে মানব কল্যাণের উন্নয়নে বিভিন্ন জিনিস।তেমনি বর্তমান যুগের অন্যতম বাহন রেল ইন্জিন আবিস্কারের পেছনে রয়েছে মজার কাহিনী।
ফান্সে নিকোলাস কুনো নাম এ ছিলেন এক ইন্জিনিয়ার।ইন্জিন এর সাহায্যে গাড়ি চালানো যেন পেয়ে বসলো তাকে।একদিন তিন চাকার একটা গাড়ি আবিস্কার করলেন তিনি।ঘন্টায় ৪ মাইল গতি বেগ নিয়ে চলতে শুরু করলো গাড়িটি।উৎসাহী নিকোলাস কুনো একদিন কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে চেপে বসলেন গাড়িতে।কিন্তু দূভার্গ ক্রমে গাড়ি চলতে চলতে একসময় ধাক্কা খেল রাস্তার ধারে একটা দেয়ালের গাঁয়ে।চাক্কা গেল ফেটে নিকোলাস কুন সহ তার বন্ধুরা ছিটকে পড়লেন।আঘাত গুরুতর না হওয়ায় সেদিন প্রাণে বেঁচে ছিল সবাই।কিন্তু ঘটনাটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লো।সবাই ধারণা করতে লাগলেন গাড়ি একটি বিপদজনক জিনিস যাতে আরোহণ করলে যে কোনো মানুষের মৃত্যু হতে পারে।নিকোলাস এর ওই ব্যাপারটি সরকার পর্যন্ত পৌছেছিল, সরকার জনমতের ভিত্তিতে গাড়ি বানানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।আর শুধু তার কারখানায় বন্ধ করা হয় নি তাকে ও কারাগারে পাঠানে হয়েছিল।
নিকোলাস কুনো এর পরে আর একজন ইন্জিনিয়ার নতুন আর একটি গাড়ি তৈরি করলেন।তার ইন্জিন টি ছিল নিকোলাস এর ইন্জিন এর থেকে অনেক বেশি উন্নত।এটিকে রেল ইন্জিনের প্রথম ধাপ বলা যেতে পারে।গাড়ির প্রতি জনগণের ভিতি এর কারণে তিনি রাতের বেলায় ইন্জিনটি পরীক্ষা করেন।তারা রেল ইন্জিন এর শব্দে সবার ঘুম ভেঙে যায়।কিন্তু রেল গাড়িটি আসতে দেখে সবাই ভয় পেয়ে দরজা আটকিয়ে দেয়।আজকের পর্ব এখানেই শেষ করা হবে। পরবর্তী পর্বে এই সম্পর্কে আপনারা আরো নতুন কিছু জানতে পারবেন।পুরো গল্প পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

