নেইমারের জীবনে অজানা গল্প

R
rizoan

পর্বঃ৪

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয় একজন খেলোয়ার নেইমার। যার নাম শুনেন নাই এমন মানুষ সত্যিসত্যিই খুজে পাওয়া সম্ভব হবে না। ফুটবল প্রেমীরা নেইমানের জীবন সম্পর্কে জানতে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

 

নেইমারের জীবন কাহিনী

Image Source

তৃতীয় পর্বের পর থেকে শুরু করছি ১৯ বছর বয়সে নেইমার এক সন্তানের বাবা হন।তিনি বলেন আমি তো প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম,এত কম বয়সে এত বড় দায়িত্ব কিভাবে নেব।কিন্তু আমার সন্তানের হাসিমুখই আমার কাছে সব কিছু।তার ক্যারিয়ার এ অত্যন্ত কাতলীয় ব্যাপার আছে।তার যেদিন ২০ তম জন্মদিন ছিল সে দিনই তিনি পেসাদার ফুটবল এ ১০০ তম গোল পূরণ করেছিলেন।এমনটি ইতিহাসের কোথাও ঘটে নি।ব্যক্তিগত জীবনে নেইমার ধর্ম কে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে।এবারে তিনি আর্দশ মানেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি খেলোয়াড় কাকাকে।তিনি নেইমারের বড় ভাই এর মতোই।কাকার আর্দশ অনুযায়ী নেইমার সব সময় মোট আয়ের ১০ ভাগের এক ভাগ অসহায় মানুষের কল্যানে ব্যয় করে থাকে।

 

নেইমারকে বলা পৃথিবীর সবচেয়ে মার্কেটেবল খেলোয়াড়। কারণ কোনো পন্য নেইমার ছবি দিলে তার বিক্রি হু হু করে বেড়ে যায়।বিঞ্জাপনের বাজারে নেইমার এর সাফল্য এতই বেশি যে,তাকে নিয়ে একটা দোকান তৈরি হয়েছে।যার নাম নেইমারমার্কেটিং। নেইমার হলেন মাতৃভক্ত। মায়ের জন্য সব কিছুই ছাড়তে পারেন তিনি।পরিবারের প্রতি ভালোবাসার জন্য তিনি সবার কাছে প্রশংসীত।নেইমার ফুটবল খেলার পাশাপাশি শখের বসে গান ও করে থাকেন।বন্ধুূের পার্টিতে প্রায়ই দেখা যায় নেইমার গান বলতে।এত কিছুর পরও তার বিরুদ্ধে নানান সময় নারী কেলেঙ্কারির বিষয় উঠে আসে।সামপ্রতিক সময়েও তাকে পহাতে হয়েছে এক নারীর দর্শনের অভিযোগের নানান সমস্যা।ব্যক্তি নেইমার সব দিক থেকে ভালো থাকলেও যৌনতার কারণে সে অনেকের কাছে অপ্রিয়।ফুটবল বিশ্বের অন্যান্য কিংবদন্তির তুলনায় নেইমার কে ইনজুরির কারণে মাঠের বাহিরে থাকতে হচ্ছে বেশি সময়।দারিদ্রের কারণে ফুটবলকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন নেইমার।নেইমারের বিপক্ষে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমালোচনা হয় কিন্তু নেইমার এগুলোর জবাব দেয় মাঠে খেলার মাধ্যমে।সমালোচনার জবাব নেইমার মাঠের ভালো পারফরমেন্স এর মধ্যে দিয়ে দিতে পছন্দ করেন।সমস্ত গল্পের পরিসমাপ্তি এখানে করা হলো।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Comments