ফুটবলার রোমেল লুকাকুর জীবনের অজানা গল্প

R
rizoan

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।ফুটবল প্রেমীদের অতি পরিচিত বেলজিয়ামের খেলোয়াড় লুকাকু কে চেনেন না এমন মানুষ সত্যিই খুঁজে পাওয়া যাবে না।বেশ কিছুদিন যাবত আমি লুকাকুর জীবনের গল্প নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করছি।আপনারা যদি তার জন্য লেখা গল্প গুলো সব পড়ে থাকেন তাহলে বুঝবেন।মানব জীবনে সফলতা কতটা কষ্ট সাধ্য ব্যাপার।লুকাকু জীবন সংগ্রামের অনেক কষ্টের সাথে এই অবস্থায় এসে পৌছাতে সক্ষম হয়েছে।তার গল্প পড়ে আপনাদের মোডিফিশন অনেকটা বেড়ে যাবে আচা করি।

 

পরে সিজনে লুকাকু হাই স্কুলে পড়ছে আবার একই সাথে ইওরোপা লীগে খেলেছে।স্কুলে লুকাকু সাধারণত একটা বড় ব্যাগ নিতো যাতে স্কুল শেষে বিকেলে ফ্লাইট ধরতে পারে।বিশাল ব্যবধানে তারা লীগ জিতেছিল।আফ্রিকান প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ারে লুকাকু দ্বিতীয়। সএসব কিছুর আাশাই লুকাকুর ছিল।হঠাত করেই মিডিয়া তার উপর আশা বাড়িয়ে দিলো। যেন সমস্ত আশা ভরসা মূল লুকাকু।বিশেষ করে জাতীয় দলে।বেলজিয়ামের হয়ে লুকাকু ঠিক ভালো খেলতে পারছিল না।তখন তার বয়স ১৭, ১৮ এর মতো ছিল।যখন ঠিক হলো তখন খবরের কাগজে বিভিন্ন আর্টিকেলে লিখছে,রোমেলু লুকাকু, দ্য বেলজিয়াম স্ট্রাইকার।আর যখন সব ঠিক ঠাক থাকে না তখন লিখছে, রোমেলু লুকাকু,কঙ্গোলিজ বংশোদ্ভূত বেলজিয়ান স্ট্রাইকার।

 

যখন সে চেলসিতে গেল,সে খেলেনি।সবার হাসি শুনেছে তখন।যখন আবার ওয়েক্টব্রমে গেল খেলতে তখনও সে তাদের হাসিটা শুনেছে।মজার কথা হলো,সে বাচ্চা অবস্থাই সে টানা দশ বছর চ্যাম্পিয়নস লীগ ফুটবল মিস করেছে।তাদের টিভি দেখার সামর্থ্যই ছিল না।দরিদ্রদের মাথা উঁচু করে থাকতে হলে খুব ভালো অভিনয় করতে হয়।জীবন্ত এক কিংবদন্তির পাশে রক্তমাংসের এই আমি দাঁড়িয়ে গুনি কিভাবে দুই খেলোয়াড়দের মাঝের ছোট্ট ফাঁকা জায়গাটার চিতার ক্ষিপ্রতা নিয়ে দৌড়াতে হবে।আজকের গল্প এখানেই শেষ।পুরো গল্পটা পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

Comments