বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি আপনাদের ভালোবাসা ও আল্লাহ তা'য়ালার দোয়ায় অনেক ভালো আছি।ফুটবল প্রেমীদের অতি পরিচিত বেলজিয়ামের খেলোয়াড় লুকাকু কে চেনেন না এমন মানুষ সত্যিই খুঁজে পাওয়া যাবে না।আজকে লুকাকুর জীবনে আরো কিছু অজানা গল্প শেয়ার করবো।লুকাকু একদম দারিদ্র্য পরিবারের সন্তান ছিল।তার এতটাই দরিদ্র ছিল যে তাদের ঘরে কোনো ইলেকট্রিসিটি ছিল না।সে অনেক কঠিন পরিশ্রম করে এই অবস্থাই এসেছে।তার সম্পর্কে অজানা গল্প জানার জন্য সকলকে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
লুকাকুর জীবন গল্পে লুকাকুর ষোল বছর বয়সে আন্দেরলেখট বনাম স্ট্যান্ডার্ড ম্যাচটা উল্লেখযোগ্য। কারণ ম্যাচটি ফাইনাল ম্যাচ।খুব এলোমেলো একটা ম্যাচ ছিল ওইটা।সিজনের শুরুতে আন্দেরলেখটের আন্ডার নাইনটির দলে ছিল লুকাকু।ছিল শুধু সাইট বেঞ্চে।কোচ মনে হয় তাকে শুধু বেঞ্চ গরম করার জন্য রাখছিল।তখন তার মনে হয়েছিল এভাবে বেঞ্চে বসে থাকলে ষোলোর আগে সে কিভাবে প্রফেশনাল কন্ট্যাক্ট সাইন করবে।
কোচের সাথে লুকাকু বাজি ধরে ফেললে। কোচকে সে বললো,কোচ শুনুন আমাকে যদি খেলতে দেন ডিসেম্বরের মধ্যে আমি ২৫ টা গোল করবো।কোচ তার কথায় রাজি হয়ে গেল।বললো যদি তুমি ২৫ গোল করতে না পারো সোজা আবার বেঞ্চে।লুকাকু ও তখন একটা শর্ত রাখলো,যদি সে জিতে যায় তাহলে তাদের আনা নেয়ার মিনিভ্যান আছে সেটা কোচ কে পরিস্কার করতে হবে।কোচ ও তার কথায় রাজি হয়ে গেল।আরো একটা কথা বললো প্রতিদিন তাদেরকে প্যানকেক বানিয়ে খাওয়াতে হবে।নভেম্বর এর মধ্যে তার ২৫ গোল হয়ে গেল।ক্রিসমাসের আগেই সবার হাতে প্যানকেক।তখন লুকাকু আর লুকাকুর সব বন্ধু মিলে ফ্রিতে প্যানকেক খায়।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

