রংপুর এর আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর দেশে উৎপাদিত মোট আমের সিংহভাগই উৎপাদিত হয় রংপুরে। গত কয়েক বছর ধরে রংপুরের ফজলি, লখনা, গোপালভোগ, আশ্বিনা, হিমসাগর, দুধসর, কালীভোগ, তোতাপরীসহ প্রায় দুইশো’র বেশি জাতের আম চাষ করা হয়ে থাকে। দিন দিন চাষিরা আম চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তারা সব সময় কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী বাগানের পরিচর্চা করে থাকেন।
মুকুল আসার আগ মুহূর্তে গাছের বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। তাই ছোট-বড় আম বাগান পরিচর্যায় চাষিরা বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা বাগানের আগাছা পরিষ্কার করে সেচ, সার দিচ্ছেন। পোকা দমনে স্প্রে করছেন কীটনাশক। এতে পোকা যেমন দূর হবে, তেমনি গাছে দেখা দেবে স্বাস্থ্যকর মুকুল। এতে করে ফলন ভাল আসবে। আর কিছুদিন আগে সামান্য পরিমাণ যে বৃষ্টি হয়েছে, তাতে আম চাষিদের উপকার হয়েছে।
মাঘ মাস। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম গাছে মুকুল আসতে এখনো মাসখানেক দেরি। মাঘ শেষ হওয়া মাত্র ফাল্লুনের গরম বাতাসে প্রায় সকল আম গাছে মুকুল আসবে।
কিন্তু এরই মাঝে শুরু হয়ে গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিদের আগাম আম বাগান পরিচর্যা
ধান ক্ষেত নিয়ে আমার পাঠ্যবইয়ের একটি ছোট কবিতা:
পথের কেনারে পাতা দোলাইয়া করে সদা সঙ্কেত,
সবুজে হদুদে সোহাগ ঢুলায়ে আমার ধানের ক্ষেত।
ছড়ায় ছড়ায় জড়াজড়ি করি বাতাসে ঢলিয়া পড়ে,
ঝাঁকে আর ঝাঁকে টিয়ে পাখিগুলে শুয়েছে মাঠের পরে।
কৃষাণ কনের বিয়ে হবে, তার হলদি কোটার শাড়ী,
হলুদে ছোপায় হেমন্ত রোজ কটি রোদ রেখা নাড়ি।
কলমী লতার গহনা তাহার গড়ার প্রতীক্ষায়,
ভিনদেশী বর আসা যাওয়া করে প্রভাত সাঁঝের নায়।
পথের কেনারে মোর ধান ক্ষেত, সবুজ পাতার পরে,
সোনার ছড়ায় হেমন্তরাণী সোনা হাসিখানি ধরে।
শরৎ সে কবে চরে গেছে তার সোনালী মেঘের ছটা,
আজো উড়িতেছে মোর এই খেতে ধরিয়া ধানের জটা।
মাঝে মাঝে এর পকিয়াছে ধান, কোনখানে পাকে নাই,
সকুজ শাড়ীর অঞ্চলে যেন ছোপ লাগিয়াছে তাই।
আজান গাঁয়ের কৃষাণকুমারী এইখান দিয়ে যেতে,
সোনার পায়ের চিহ্নগুলিরে গেছে এর বুকে পেতে।

