আসসালামুয়ালাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি প্রত্যেকে অনেক বেশি ভালো আছেন আমি ও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে আমাদের হাঁড়িভাঙ্গা আম বাগান নিয়ে আলোচনা করবো।
হাড়িভাঙা আমের পরিচিতি:
হাড়িভাঙা আম বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় আম।এই আমটি বাংলাদেশের রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগন্জ এলাকার একটি বিখ্যাত আম।এই আমটি সবাই পছন্দ করেন। আমটি সাধারণ আশবিহীন এবং খুবই রসালো।এই আম চাষ করে পদাগন্জ এলাকার অধিকাংশ মানুষ এখন স্বাবলম্বী। এই আম বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের মানুষ নিয়ে যায়।এই আমটির জন্ম হয় খোড়াগাছ এলাকায়।
প্রতিবছর কৃষকরা আম বিক্রি করে সারা বছর জীবনযাপন নির্বাহ করে। বর্তমান পদাগন্জ এলাকার প্রধান চাষ হচ্ছে আম চাষ।
পরিচর্যা
আম চাষ একটা লাভজনক চাষ। প্রতিবছর আম শেষ হওয়ার পর গাছের নিচে সামান্য মাটি খুঁড়ে পরিমাণ মতো সার প্রয়োগ করতে হবে।তার পর আবার পোকা দমন এর জন্য ওষুধ স্প্রে করতে হবে। প্রতিমাসে অন্তত একবার করে গাছে পোকা দমন এর ওষধ প্রয়োগ করতে হবে।সব সময় দেখা শুনা করতে হবে। গাছের নিচের আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। বাগানে কোন প্রকার গরু ছাগল চরানো যাবে না।
আমের পরিচর্যা
বাগানে যখন আমের মুকুল আসে তখন বাগানে সুন্দর একটা সুগন্ধ বের হয়। সুগন্ধে মানুষের মন ভরে যায়। আমের মুকুল বের হয়ে যাওয়া শেষ হয়ে গেলে বাগানে পোকামাকড় এর বিষ প্রয়োগ করতে হবে কেননা সেসময় পোকামাকড় এর পরিমাণ খুব বেশি থাকে বাগানে।
বাগানে আম একটু বড় হলে আবার পোকা দমন এর জন্য ওষুধ স্প্রে করতে হবে। আবার তখন আমের ভিতরে আঁটি শক্ত হবে তখন আমের রংয়ের জন্য পাউডার এবং শেম্পু স্প্রে করতে হবে।আম পাকার আগেই আরেকবার স্প্রে করতে হবে।
আম পাকার সময় বাগানে সবসময় থাকবে।আম পাড়ার সময় আমকে আঘাত করা যাবে না, কেননা আম একটু আঘাত পেলে নষ্ট হয়ে যায়।পাকা আম বাজার জাত করতে হবে।
আজকে এই পর্যন্তই, আবার কালকে নতুন কিছু নিয়ে আলোচনা করবো।

