আসসালামুআলাইকুম
আশা করি সবাই ভালো আছেন।Serey পরিবারের সবাই যেন সুস্থ থাকে এ টাই কামনা করি। আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা আমাদের জন্য দুই ভাগে বিভক্ত। একটি হালাল আরেকটি হলো হারাম। যা আমাদের জন্য ভালো বা উত্তম সেটাই আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য হালাল করেছেন। আর যা আমাদের জন্য ক্ষতিকারক সেটা কে আল্লাহ তায়ালা হারাম করেছেন। আমরা যারা ইসলাম ধর্ম কে মানি তারা সবাই জানি যারা হারাম উপায় উপার্জন করে বা পানাহার করে হারাম খাবার দ্বারা শরীরে যে রক্ত মাংস তৈরি হয় তা কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবেন। তাই আমরা সতর্ক থাকবো কি উপায় আমরা উপার্জন করছি সেটার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখবো। যদি পারি আসে পাশের কনো ভালো আলেমের কাছে থেকে জেনে নেবো আমার উপার্জনটা হালাল কিনা। একটা জিনিস কি আজ হয়তোবা পরিবারের চাহিদা মেটানোর জন্য যে কনো উপায় উপার্জন করতেছি কিন্তু দিনশেষে আপনাকেই আল্লাহ বিচার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। সেদিন আপনি কি জবাব দিবেন একবারও কি সেটা ভাবছেন আপনার শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ প্রতঙ্গ সেদিন কথা বলবে। কি ভয়ানক পরিস্থিতি সেদিন হবে আপনার শরীর টাও আপনার না সেও সব সত্যি কথা টা বলবে। আল্লাহ কাছে পানহা চাই এ হারাম উপার্জন থেকে। তাই দুনিয়ার পিছনে না ছুটে আখেরাতের পিছনে ছুটবো।আখেরাত ঠিক রেখে এরপর দুনিয়া। হালাল জিনিস আমাদের জন্য সবসময় কল্যাণময় যেমন মধু একটি হালাল জিনিস। আমাদের নবী (সাঃ) মধু অনেক পছন্দ করতেন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন মধুতে রয়েছে রোগের প্রতিকার (সূরা আন -নাহল) যে জিনিসের কথা আল্লাহ কোরআনের মধ্যে বলেছেন সেটা আমাদের জন্য কতো উপকারী বুঝতেই পারছেন। এ ছাড়া বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন মধুর মধ্যে রোগ সৃষ্টি কারী ব্যাকটেরিয়া ছেড়ে দিলে বা ডুবিয়ে দিলে তা মারা যায়। সারা পৃথিবীতে কাশির ওষুধ ও অন্যান্য মিষ্টিদ্রব্য তৈরি করতে প্রতিবছর কমপক্ষে ২০০ টন মধু ব্যবহৃত হয়। বর্তমান এখন শীত কাল কম বেশি সবার কাশি হয়ে থাকে। আপনি যদি মধুর সাথে লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন ইনশাআল্লাহ আপনার কাশি ভালো হয়ে যাবে।

