আসসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন৷ আমিও ভালো আছি৷ আবারও আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম আমার আরেকটা নতুন পোষ্ট নিয়ে। চলুন শুরু করি আমার আজকের পোষ্টটা।
কথায় বলে কপালে যা থাকে তাই হবে। এটা কেউ পাল্টাতে পারবে না৷ কয়েক দিন আগে আমার গ্রামের বন্ধু আশিকের সাথে একটু ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। বাড়ীর ফেরার পথে আশিক বললো চলো, রাহাত বেকারি থেকে কিছু খেয়ে আসি৷ আমরা দুইজনই রাহাত বেকারিতে গেলাম, গিয়ে আমরা একটা পিজ্জা অর্ডার দিলাম। অর্ডার দিয়ে প্রায় ২০ মিনিট ধরে বসে আছি, কেউ আর কোনো খোজ নিচ্ছে না আমাদের বিষয়টা বুঝতে পারলাম না। সব কর্মচারিরা অন্য ক্রেতাদের নিয়ে ব্যস্ত আছেন। একজনকে বলার পর দেখি সে তখন কেবল মাত্র পিজ্জাটা রেডি করতে যাব,, আমার হঠাৎই রাগ হয়ে গেল বললাম৷ অর্ডারটা বাতিল করে দেন আমরা পিজ্জা খাব না।
এটা বলে আমরা দুইজন বেকারি থেকে বের হয়ে চলে আসলাম। আমার তখন খুবই রাগ হচ্ছিল। আমি তো ভেবেছি আর কখনও রাহাতে কিছু অর্ডারও করব না আর খেতেও যাব না। খাওয়ার মুডটাই নষ্ট হয়ে গেল। বাজার থেকে আর কিছু না খেয়ে বাড়ীর দিকে চলে আসলাম। নদী পার হয়ে আশিক বললো লালন বাজার থেকে কিছু একটা খাই৷ এখানে বেশি কিছু পাওয়া যায় না। ও বললো চলো আইক্রিম খাই। আমি বললাম যাও নিয়ে আসো। খাওয়ার ইচ্ছা ছিল পিজ্জা খেতে হচ্ছে আইক্রিম। কপালে না থাকলে যা হয়। একটা দোকানে গিয়ে দুইটা কোণ আইসক্রিম আনল। 
এটা খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। চকলেট স্বাদেরটা আরও বেশি ভালো লাগে। কি আর করার পিজ্জার বদলে আইসক্রিম খেতে খেতে দুইজন বাসার দিকে গেলাম। আসলে কিছু কিছু দোকান দার বা বেকারিগুলো নাম বেশি হয়ে গেলে তারা ক্রেতাদের মূল্য দিতে চায় না। কারণ তারা ভাবে সবাই এমনিতেই আমাদের কাছে আসবেনে৷ মানুষ গুরুত্ব তাদের কাছে যেনো কমে যায়৷ সেদিনের দিনটাই যেনো খারাপ গিয়েছিল। সব কিছুর মাঝে আইসক্রিমটা কিছু খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল।
আপনারাও হয়ত আপনাদের দৈনন্দিন জীবনে এরকম ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে থাকবেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আবারও দেখা হবে আমার নতুন কোনো পোষ্ট নিয়ে।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার আজকের পোষ্টটা পড়ার জন্য।


