আসসালামু আলাইকুম।
হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও সৃষ্টিকর্তার দয়ায় অনেক ভালো আছি। আবারও আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম আমার নতুন একটা পোষ্ট নিয়ে। আজকে আমি ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং লাইফের পঞ্চম পর্ব শেষ করা নিয়ে কিছু অনুভূতি শেয়ার করব৷ আশা করি আপনাদের সবার কাছে ভালো লাগবে।
দেখতে দেখতে আমার পঞ্চম পড়ব শেষ হয়ে গেল। এখন আমি একজন ষষ্ঠ পর্বের ছাত্র। তবে করোনা মহামারির কারণে, আমার এই পদন্নোতিতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। না হলে আমি বর্তমানে সপ্তম পর্বে অধ্যায়ন রত থাকতাম। কিন্তু সবই নিয়তি, সেটা মানতেই হবে। আজকে ছিল আমার পঞ্চম পর্বের ব্যবহারিক পরিক্ষা। সকাল ৮ টা থেকে আমাদের ব্যবহারিক পরিক্ষা শুরু হয়েছিল। আজকেই আমরা আমাদের চার বিষয়ের ব্যবহারিক পরিক্ষা দিয়ে শেষ করে দিয়েছি। সকাল ৮ টা থেকে শুধু করে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত সময় ধরে চারটা ব্যবহারিক পরিক্ষা দিয়েছি। গত দের মাস ধরে আমার পঞ্চম পর্বের পরিক্ষা চলছিল। আজকে সেটার ইতি টানা হলো।
প্রতিটা পর্ব থেকেই আমি চেষ্টটা করি নতুন নতুন বিষয়গুলো শিখতে পারি। যা আমার সামনের শিক্ষা জীবনে কাজে লাগবে। আশা করি আমি আমার সামনে আগত সেমিস্টারগুলোও অনেক ভালো ভাবে শেষ করতে পারব। আমার এখনও তিনটা পর্ব আছে, এটা শেষ হওয়ার পর আমি আমার স্বপ্নের জায়গা ডুয়েটে এডমিশন দেওয়ার জন্য ঢাকাতে যাব। যানি না আল্লাহ তায়ালা আমার কপালে সেটা রাখছে নাকি। তবে আশা করি আল্লাহ তায়ালা আমাকে নিরাশ করবেন না৷ আজকে ব্যবহারিক পরিক্ষা নিয়ে একটা মজার ঘটনা বলি।
আজকে ব্যবহারিক পরিক্ষা জব লেখার জন্য আমাদের ম্যাম বললেন, ডিপার্টমেন্ট থেকে খাতা আনতে, আমি গিয়ে অফিস সহকারি স্যারকে বললাম স্যার খাতা লাগবে বললো, কয়টা লাগবে আমি বললাম ৬০ টা। আমাদের ক্লাসে মোট ষাট জন ছাত্র-ছাত্রী। স্যার একবারে অনেকগুলো খাতা আমাকে দিলেন। পরে এই খাতা দিয়েই আমরা ৪ টা ব্যবহারিক পরিক্ষা শেষ করে দিলাম। চাইলাম ৬০ টা পেপার, কিন্তু দিলো ২৪০ টা পেপার। পরে কথাটা ভেবে আমার বেশ হাসি পাচ্ছিল। যাই হোক, অবেশেষ সারাটা দিন বিভিন্ন ক্লাসে দৌড়াদৌড়ি করে ব্যবহারিকগুলো শেষ করলাম।
এভাবেই আমি আমার পঞ্চম সেমিস্টার শেষ করলাম। আশা করি সবার কাছে ভালো লেগেছে, সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার আজকের পোষ্টটা পড়ার জন্য।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার পোষ্টটা পড়ার জন্য।



স্যার ,
আপনার জন্য দোয়া রইল, ব্যবহারিক পরিক্ষা ভালো রেজাল্ট করে ষষ্ঠধাপে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। করুণা মহামারি পরেই সব পরীক্ষাগুলা আস্তে আস্তে শুরু হয়েছে।